‘তাঁর সঙ্গে কাজ করার লোভ সামলাতে পারিনি’

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৫১, জুলাই ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:১২, জুলাই ১৫, ২০১৯

একটি দৃশ্যে মৌসুমী হামিদ ও দীপক সুমনগত বছর (২০১৮) ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিন হঠাৎ না ফেরার দেশে চলে যান নন্দিত আলোকচিত্রী ও মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন। যার ক্যামেরার ফ্রেমে নির্মিত হয়েছে ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’, ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী’, ‘পুরস্কার’, ‘অন্য জীবন’, ‘লালসালু’, ‘শ্যামলছায়া’র মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া কাজগুলো।  
সেই চিত্রকরের শেষ স্বল্পদৈর্ঘ্যে ফ্রেমবন্দী হয়ে যাবেন, তখনও ভাবেননি অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ। কারণ, আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পাঁচ মাস আগেই (২০১৮ সালের জুলাই) শুটিং হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ভালোবাসা’র।
আরেক স্বল্পপ্রাণ নন্দিত সাহিত্যিক শহীদুল জহিরের গল্প অবলম্বনে শাওন কৈরীর চিত্রনাট্যে আনোয়ার হোসেনের ক্যামেরায় এটি নির্মাণ করেছেন শুভ্রা গোস্বামী। এতে মৌসুমী হামিদের বিপরীতে অভিনয় করেছেন দীপক সুমন। যেটি শুটিং হওয়ার ঠিক এক বছর পর গতকাল (১৩ জুলাই) উন্মুক্ত হয় প্ল্যাটফর্ম কমিউনিকেশনস নামের ইউটিউব চ্যানেলে।
আনোয়ার হোসেনকাজটি উন্মুক্ত হওয়ার পর ভালোই সাড়া মিলছে সংশ্লিষ্টদের পক্ষে। সেই সূত্রে খানিক স্মৃতিকাতর মৌসুমী হামিদ।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এতে আমার চরিত্রটি আহামরি কিছু না। তবে গল্পটা অসাধারণ। কারণ এর লেখক শহীদুল জহির। বিশ্বাস করুন তবুও কাজটি আমি প্রথমে করতে চাইনি। কিন্তু পরে যখন জানলাম এটির চিত্রগ্রাহক হিসেবে থাকছেন আনোয়ার ভাই, তখন রাজি হয়ে গেলাম। সত্যি বলতে, তাঁর (চিত্রগ্রাহক আনোয়ার হোসেন) সঙ্গে কাজ করার লোভ সামলাতে পারিনি। খুব কষ্ট হয়, কাজটি করার কয়েক মাসের ব্যবধানে মানুষটি চলেই গেল। সেজন্যই হয়তো এই কাজটি আমার কাছে এখন অমূল্য ধন। সবাইকে এটি দেখার আবেদন করছি।’একটি দৃশ্যে মৌসুমী হামিদ
মৌসুমী আরও বলেন, ‘এই ছবির শুটিংয়ে প্রথমে একটু অস্বস্তি লাগছিল। স্বাভাবিক, প্রতি দৃশ্যেই আনোয়ার ভাই ক্যামেরা তাক করে বসে থাকতেন। অনেক সিনিয়র আর সম্মানের একজন মানুষ। তাই স্বাভাবিক হতে পারছিলাম না। শুটিংয়ের কিছুক্ষণ পর টের পেলাম, তিনি আমাদের অনেকের চেয়ে আধুনিক আর প্রাণবন্ত একজন মানুষ। আমার অস্বস্তির বিষয়টা টের পেয়েছেন ঠিকই। শুটিংয়ের ফাঁকে আমার একটা ছবি তুলে বলেছিলেন- আমি যেদিন থাকব না, সেদিন এটা বাঁধাই করে রাখতে পারবি।’
ছবিটির গল্পের রেশ ধরে রয়েছে পিন্টু ঘোষের তৈরি অসাধারণ একটি গান।
পুরো ছবিটি:

/এমএম/

লাইভ

টপ