সেদিন ঝাড়ু ও ফগার মেশিন ব্যবহারের ব্যাখ্যা দিলেন জায়েদ খান

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৩:৫২, আগস্ট ০৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪৩, আগস্ট ০৫, ২০১৯

জায়েদ খান ও সেদিনের কর্মসূচিডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে নানামুখী পদক্ষেপ ও কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২ আগস্ট তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাস্তায় নামেন চলচ্চিত্রাঙ্গনের তারকারা।

সঙ্গে ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, চলচ্চিত্র প্রযোজক, চলচ্চিত্র পরিচালক, শিল্পী, কলাকুশলীসহ বিএফডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিএফডিসি ও তার সামনের রাস্তায় ঝাড়ু হাতে ও ফগার মেশিন নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় অংশ নেন তারা।

তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে অংশগ্রহণের কিছু ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়।
যা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তারা। অনেকের প্রশ্ন ছিল, ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার রাস্তায় এ ধরনের কর্মসূচি কেন বা ঝাড়ু ব্যবহার করে আদৌ মশক নিধন হয় কিনা? সমালোচনা হয়, এটি লোক দেখানো কার্যক্রম বলেও!
এবার সবেরই উত্তর দিলেন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‌‘শিল্পীরা আমাদের সমাজের দর্পণের ন্যায়। বিভিন্ন সমস্যা যেমন তারা তুলে ধরেন তেমনি সমস্যার সমাধানেও তারা তাদের প্রতীকী কার্যক্রমের মাধ্যমে অপরিসীম ভূমিকা পালন করেন। বর্তমানে ডেঙ্গু রোগ আমাদের দেশে বিশেষ করে ঢাকা শহরে মহামারী আকার ধারণ করেছে। আর এর সমাধানের জন্য সবচেয়ে বেশি যা দরকার তা হল, আমাদের সমাজের প্রত্যেকটি স্তরের মানুষের সচেতনতা এবং আমাদের বাসস্থানসহ আশপাশের পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা। আর এই সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও বেগবান করতেই চলচ্চিত্র শিল্পীরা তাদের নিজেদেরই কর্মস্থল এফডিসিসহ আরও কয়েকটি স্থানে ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রম চালায়, মাইকের মাধ্যমে মিডিয়ায় নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেয়, চারপাশের আবর্জনা ঝাড়ু দেয় এবং ফগার মেশিন দিয়ে মশা দমন করেন। এটি ছিলো একটি প্রতীকী কার্যক্রম এবং এর উদ্দেশ্য কেবল সাধারণ মানুষজনকে ডেঙ্গু হতে প্রতিকার পাবার জন্য সবাইকে সচেতন করা।’

বিষয়টি কেউ কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উপস্থাপন করেছে বলে মনে করেন তিনি। জায়েদ আরও বলেন, ‘কষ্টের বিষয় এই যে, কিছু স্বার্থান্বেষী ও ঈর্ষান্বিত মহল এই শুভ কাজটির তিরস্কার করছে ও নিরুৎসাহিত করছে। অথচ শিল্পীরা যেসকল নির্দেশনা দিয়েছে সেগুলো ঐ স্বার্থান্বেষী মহলও কিন্তু পালন করছে। অথচ আপনারা জানেন ডেঙ্গু মশা নিধন কিন্তু শিল্পীদের কাজ নয়। তারা নিজেদের দায়িত্ববোধ থেকে যেটুকু পেরেছেন অর্থাৎ জাতির সচেতনতা সেটি তারা শতভাগ করেছেন। আসলে এই স্বার্থান্বেষী মহলের উদ্দেশ্য কী, আমাদের জানা নেই। তারা দেশ ও জাতির মঙ্গল চায় না। চায় না ডেঙ্গু সম্পর্কে সকলের সচেতনতা। চায় না একটি ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে।’অভিযানের সময়ের একটি ছবি

/এম/

লাইভ

টপ