‘আমাদের ফেলে আসা জীবনের গল্প এটি’

Send
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৪:৩০, আগস্ট ০৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৩১, আগস্ট ০৬, ২০১৯

একটি দৃশ্যে তারিন ও লাভলু

ফয়জু মুন্সি ডিভিডিতে বাংলা ছবি দেখায়। চা দোকানের পেছনে গড়ে তুলেছেন মিনি সিনেমা হল। সেখানে গ্রামের তরুণদের আড্ডাখানা।
দুপুরের শো’তে নায়ক জসিম যখন ভিলেন জাম্বুর মাথা ফাটাচ্ছিল মদের বোতল দিয়ে, তখনই বাড়ি থেকে খবর পাঠায় ফয়জুর বউ সেতারা- উঠানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নারকেল গাছটি কাঁদছে!
ফকির বাবাকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত বাড়ি যায় ফয়জু। নারকেল গাছের গোড়ায় বসে থাকে সারা দিন। ফকির বাবা ঘোষণা দেন, এটা আধ্যাত্মিক নারকেল গাছ। এই গাছের ছাল খেলে বন্ধ্যা মেয়েদের বাচ্চা হবে। অসুখ সারবে।
এমন দুটি চিত্রের মধ্য দিয়ে ভেসে ওঠে গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি আর কুসংস্কারের বড় অংশ। আর সেই গল্পটিকেই এবার পর্দায় তুলে আনছেন নাট্যকার-নির্মাতা হিমু আকরাম।
নাটকের নাম ‘ফয়জু মুন্সির নারকেল গাছ’।
নাটকে ফয়জু মুন্সি চরিত্রে অভিনয় করছেন সালাহউদ্দিন লাভলু আর সেতারা চরিত্রে তারিন। বিভিন্ন চরিত্রে আরও আছেন সিদ্দিকুর রহমান, হুমায়ূন সাধু, কাজী উজ্জ্বল, আলামিন, মাসুদ রানা প্রমুখ।
সম্প্রতি শুটিং শেষ হওয়া এই বিশেষ নাটকটি প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘এখানে আমি ফয়জু চরিত্রে অভিনয় করেছি। গ্রামের চা দোকানে মিনি সিনেমা হল চালাই। আমার নারকেল গাছের কান্না শুনে মানুষের ভিড় বাড়ে বাড়িতে। সিনেমা হল বন্ধ করে শুরু হয় পানি পড়ার ব্যবসা। সব মিলিয়ে চরিত্রটি বেশ মজার। যদিও এই নাটকের শেষ দিকে দর্শকরা অন্য একটি গল্প পাবেন। যেটা এভাবে ভাবেননি কখনও।’
এদিকে নির্মাতা-নাট্যকার হিমু আকরাম বলেন, ‘এক কথায় আমাদের ফেলে আসা জীবনের গল্প এটি। ছোটবেলায় গ্রামে এই ধরনের বহু ঘটনা দেখেছি। তারই আধুনিক রূপায়ণে ফয়জু মুন্সির নারকেল গাছ। তবে গল্পের শেষটা অন্যরকম হবে।’
নির্মাতা হিমু আকরাম জানান, নাটকটি ঈদে আরটিভিতে প্রচার হচ্ছে।

/এমএম/এমওএফ/

লাইভ

টপ