behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

রবিবার রাবেয়া খাতুনের ৮০তম জন্মোৎসব

বিনোদন প্রতিবেদক১২:১৮, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৫

রাবেয়া খাতুনরবিবার, ২৭ ডিসেম্বর কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের ৮০তম জন্মদিন। ১৯৩৫ সালের এই দিনে তিনি ঢাকার বিক্রমপুরে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তবে, তার পৈতৃক বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত ষোলঘর গ্রামে৷ তার বাবা মৌলভী মোহাম্মদ মুল্লুক চাঁদ এবং মা হামিদা খাতুন। আরমানিটোলা বিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা (বর্তমানে মাধ্যমিক) পাস করেন ১৯৪৮ সালে। রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের মেয়ে হওয়ায় বিদ্যালয়ের গন্ডির পর তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়।
দেশের অন্যতম এই কথাসাহিত্যিকের ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে রবিবার সন্ধ্যায় হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজন করা হচ্ছে একটি ভিন্ন ধারার ‘জন্মোৎসব’। এটি আয়োজন করছে চ্যানেল আই। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, যে উৎসবে উপস্থিত থাকবেন শিল্প-সংস্কৃতির শীর্ষ ব্যাক্তিরা।
কথাসাহিত্যিক হিসেবে সমধিক পরিচিত হলেও রাবেয়া খাতুন এক সময় শিক্ষকতা করেছেন। সাংবাদিকতার সঙ্গেও দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। ইত্তেফাক, সিনেমা পত্রিকা ছাড়াও তার নিজস্ব সম্পাদনায় পঞ্চাশ দশকে বের হতো ‘অঙ্গনা’ নামের একটি মহিলা মাসিক পত্রিকা। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। রেডিও, টিভিতে প্রচারিত হয়েছে তার লেখা অসংখ্য নাটক। তার গল্প উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি। রাবেয়া খাতুন বাংলাদেশের ভ্রমণসাহিত্যের প্রধানতম লেখকও।
ছোটগল্প দিয়ে শুরু হলেও লেখকপরিচয়ে প্রথমত তিনি ঔপন্যাসিক। প্রথম উপন্যাস মধুমতী (১৯৬৩) প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই শক্তিমান কথাসাহিত্যিক হিসাবে পরিচিতি পান। ক্ষয়িষ্ণু তাঁতি সম্প্রদায়ের জীবনসংকট ও নাগরিক উঠতি মধ্যবিত্ত জীবনের অস্তিত্ব জিজ্ঞাসার মধ্যে ব্যক্তিকে আবিস্কার করেছিলেন রাবেয়া খাতুন এই উপন্যাসে।
রাবেয়া খাতুনরাবেয়া খাতুন সাহিত্যচর্চার জন্য পেয়েছেন একুশে পদক(১৯৯৩), বাংলা একাডেমি পুরস্কার(১৯৭৩), নাসিরুদ্দিন স্বর্ণ পদক(১৯৯৫), হুমায়ূন স্মৃতি পুরস্কার(১৯৮৯), কমর মুশতারী সাহিত্য পুরস্কার(১৯৯৪), বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ পুরস্কার(১৯৯৪), শের-ই-বাংলা স্বর্ণ পদক(১৯৯৬), ঋষিজ সাহিত্য পদক(১৯৯৮), লায়লা সামাদ পুরস্কার(১৯৯৯) ও অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার(১৯৯৯)। ছোট গল্পের জন্য পেয়েছেন নাট্যসভা পুরস্কার(১৯৯৮)। সায়েন্স ফিকশন ও কিশোর উপন্যাসের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন শাপলা দোয়েল পুরস্কার(১৯৯৬), অতীশ দীপঙ্কর পুরস্কার(১৯৯৮), ইউরো শিশু সাহিত্য পুরস্কার(২০০৩)।
এদিকে ছোটগল্প ও উপন্যাসের চলচ্চিত্রায়ণ হয়েছে প্রেসিডেন্ট(১৯৬৬), কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি(২০০৩), মেঘের পরে মেঘ(২০০৪), ধ্রুবতারা এবং মধুমতি(২০১০)।
টিভি নাটকের জন্য টেনাশিনাস পুরস্কার(১৯৯৭), বাচসাস(বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি) পুরস্কার, বাংলাদেশ কালচারাল রিপোর্টাস এসোসিয়েশন মিলেনিয়াম অ্যাওয়ার্ড(২০০০), টেলিভিশন রিপোর্টাস অ্যাওয়ার্ড(২০০০)-সহ এ যাবত অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি লেখালেখির কাজে নিবেদিত।
/এমএম/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ