চলে গেলেন যারা

বিনোদন প্রতিবেদক২১:২০, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৫

যাদের হারালামচলতি বছর দেশের বিনোদন অঙ্গনের বেশ কয়েকজন গুণী না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন। তাদের হারিয়ে শোকাতুর ছিল দেশের সাংস্কৃতিক ভুবন। গুণী এ মানুষদের নিয়েই এ আয়োজন-
চাষী নজরুল ইসলাম:১১ জানুয়ারি ভোর ৫টা ৫১ মিনিটে মারা যান খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছরের কিছু বেশি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম সিনেমা নির্মাণসহ একই প্রেক্ষাপটে সর্বাধিক ছবি নিমার্ণের কারিগর ছিলেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো- ‘ওরা ১১ জন’, ‘দেবদাস’ ‘সংগ্রাম’, ‘শুভদা’, ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘হাছন রাজা’।  জীবনমুখী চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন একুশে পদক ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।মিঠুন:
আশির দশকের চলচ্চিত্র অভিনেতা আবুল কাশেম মিঠুন মারা যান ২৪ মে। তিনি কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘ভেজা চোখ’, ‘বেদের মেয়ে জোছনা’, ‘আয়না বিবির পালা’, ‘বাবা কেন চাকর’।

খেয়ালী কর্মকার:
বছরের অন্যতম অনাকাঙ্ক্ষিত চলে যাওয়া ছিল সংগীতশিল্পী খেয়ালী কর্মকার (২১) এর। ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এর আগের দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ২০১০ সালে ‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ’ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছিলেন খেয়ালী। তিনি লিমকো কুইন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ-এর ছাত্রী ছিলেন।

 ফরিদা ইয়াসমিন:
১৮ দিন বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৮ আগস্ট পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান সংগীতশিল্পী ফরিদা ইয়াসমিন। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। কিডনিজনিত সমস্যার কারণে তিনি মারা যান। একসময়ের অন্যতম সেরা এ গায়িকা বরেণ্য শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের বোন। 

পাপ্পু:

২৯ জুলাই ভোরে মারা যান জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা পাপ্পু। তিনি দীর্ঘদিন হৃদরোগে ভুগছিলেন। এ অভিনেতা বিটিভির ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘শুভেচ্ছা’ দিয়ে সবার নজরে আসেন। এরপর বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনে তিনি অভিনয় করেছিলেন। এছাড়া পর্দা ও মঞ্চের বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করেছেন তিনি।

সিরাজুল ইসলাম:
২৪ মার্চ না ফেরার দেশে চলে যান দাপুটে অভিনেতা সিরাজুল ইসলাম। ১৯৮৪ সালে ‘চন্দ্রকথা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। 

মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন:

বিনোদন সাংবাদিকতার এ কৃতী ২ অক্টোবর মারা যান। তার বিভিন্ন লেখনিতে গত তিন দশকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বিভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। 

/এমআই/এম/

লাইভ

টপ