সোমবার সোনারগাঁয়ে দাফনদিতির মরদেহ এফডিসিতে নিতে আপত্তি পরিবারের!

Send
মাহমুদ মানজুর
প্রকাশিত : ১৯:১৭, মার্চ ২০, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪০, মার্চ ২০, ২০১৬

দিতি।এদিকে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, দিতির পরিবারের প্রধান সিদ্ধান্ত আসে তার কন্যা লামিয়া চৌধুরীর কাছ থেকে। মৃত্যুর খবর পেয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক সিনিয়র হাসপাতালে ছুটে যান। লামিয়ার কাছে আগ্রহ প্রকাশ করেন সোমবার সকালে বিএফডিসিতে দিতিকে শেষ বিদায় জানানোর। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি বারবার অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত। আরও জানা যায়, পরিচালক ও শিল্পী সমিতির একাধিক নেতা লামিয়ার সিদ্ধান্ত বদলানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চলচ্চিত্র অভিনেতা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, কোনও এক অজানা কারণে লামিয়া এফডিসি তথা চলচ্চিত্রাঙ্গনের প্রতি ক্ষুব্ধ। হতে পারে দিতি আপার এ বিষয়ে কোনও অভিমান ছিল, যা লামিয়াকে বলেছেন। কিংবা দিতি আপা হয়তো কখনও বলেছেন, মৃত্যুর পর তাকে যেন বিএফডিসিতে না নেওয়া হয়। যদিও এসব বিষয়ে লামিয়া কিছুই বলছে না। বরং সোমবার সকালে এফডিসির নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে গুলশানে নিজ বাসায় সর্বস্তরের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন মিডিয়াকে।

সাধারণত সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশেষ ব্যক্তিদের প্রয়াণের পর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়।তবে কি দিতির মরদেহ এফডিসির বদলে শহীদ মিনারে নেওয়া হতে পারে? এ বিষয়ে জানতে চাইলে জোটের নেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ নিয়ে এখনও (রবিবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত) আলোচনা হয়নি।’  

প্রসঙ্গত, দিতির অসুস্থতার শুরু থেকেই তার শয্যা পাশে ছিলেন দুই সন্তান সাফায়েত চৌধুরী ও লামিয়া চৌধুরী। মূলত এ দুজনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে।

/এমএম/টিএন/

লাইভ

টপ