behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

৫ তারকার কাছে যেমন ছিলেন দিতি

বিনোদন রিপোর্ট০০:০৪, মার্চ ২১, ২০১৬

রবিবার বিকাল থেকে ফেসবুক যেন শোকবই। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রায় সবাই কাঁদছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিতির প্রস্থান খবরে। সতীর্থরা উল্টাচ্ছেন স্মৃতির পাতা, তুলে ধরছেন ছবি। তবে ফেসবুকে নিয়মিত নন এমন পাঁচ তারকার আলাপে উঠে এসেছে অনেক অজানা কথা।

দিতির জন্য শোকগাঁথা।ববিতা

আমরা একই পরিবারের সদস্য ছিলাম। সোহেল খুন হবার পর মেয়েটা খুব কষ্ট করে দুই ছেলে মেয়েকে মানুষ করার চেষ্টা করেছে। সেই দিনগুলো আজও আমার চোখের সামনে ভাসছে। সত্যি বলতে দিতি আমার জুনিয়র হলেও তারসঙ্গে আমার সম্পর্কটা ছিলো বন্ধুর মতো। আউটডোর শ্যুটিংয়ে আমরা সাধারণত একই গাড়িতে যেতাম। গল্প করতে করতে পথ হয়তো শেষ হয়ে যেতো কিন্তু আমাদের গল্প আর শেষ হতো না। আমার নিজের প্রযোজনা সংস্থা থেকে ‘চণ্ডিদাস ও রজকিনী’ চলচ্চিত্রে তাকে নিয়ে কাজ করেছিলাম। একজন ডেডিকেটেড শিল্পী ছিলো দিতি। তারসঙ্গে ‘দোষী’, ‘চার সতীনের ঘর’সহ বেশ ক’টি চলচ্চিত্রে কাজ করেছি। সর্বশেষ তাকে যখন দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম তখন আমাকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে চুমো খাচ্ছিলো বার বার। সেই শেষ স্মৃতি কখনওই ভুলবো না। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে বেহেস্তবাসী করেন।

ফারুক

কষ্ট হয়, প্রিয় মানুষগুলো যখন এভাবে চলে যায়। দিতির কি এমন বয়স হয়েছিল যে, তাকে এখনই চলে যেতে হয়েছে? মনে হচ্ছে এই তো সেদিন, হাসিমুখের একটি মেয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে এসেছে। তার অভিনয় দেখে মুগ্ধ চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। তাকে নিয়ে প্রযোজক ও পরিচালকদের আকাশ ছোঁয়া ভাবনা। এগুলো এখন শুধুই স্মৃতি। চোখের সামনে ঘটে গেল নির্মম একটি সত্য। মেনে নিতে কষ্ট হলেও, এটাই পরম সত্য। দোয়া করি, দিতির আত্মা যেন শান্তি পায়।

ইলিয়াস কাঞ্চন

আমাদের প্রত্যেককেই দিতির মতো একদিন চলে যেতে হবে। তার এভাবে চলে যাওয়া থেকে আমাদের সবাইকে শিক্ষা নিতে হবে যে আমাদেরকে যে কোনও সময় আল্লাহর কাছে চলে যেতে হবে। দিতি আমার একজন ভালো সহকর্মী ছিলেন। তার চলে যাওয়ায় শুধু একটি কথাই বলবো আর তা হলো আল্লাহ যেন তার গুনাহ ক্ষমা করে দিয়ে তাকে বেহেস্ত নসীব করেন।

চম্পা

আপনজন হারানোর কষ্টটা মুখে বলে কখনও বোঝানো যাবে না। ‘দিতির মৃত্যুর সংবাদ’ কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না। দিতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিগুলো এখন খুব বেশি মনে পড়ছে। ওর সঙ্গে আমি অনেক কাজ করেছি। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল বেশ ভালো। আপনের চেয়ে আপন বললেও ভুল হবে না। আমরা সর্বশেষ একসঙ্গে অভিনয় করেছি ‘মোস্ট ওয়েলকাম টু’ ছবিতে। গত বছর এশিয়ান টিভির একটি ঈদ অনুষ্ঠানও করেছি। সেদিন কাজ শেষ করে আমরা অনেকক্ষণ চুটিয়ে আড্ডা দিয়েছিলাম। পুরনো অনেক বিষয় নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করেছি। ওটাই ছিল আমার সঙ্গে ওর শেষ দেখা। এরপর কয়েকবার ফোনে কথা হয়েছে।

ওমর সানী
আমরা সমসাময়িক। যদিও খুব একটা কাজ করা হয়নি আমাদের। সৈয়দ হারুনের নির্দেশনায় ‘চরম আঘাত’ ছবিতে আমরা প্রথম একসঙ্গে কাজ করি। এরপর আর সেভাবে অভিনয় করা হয়নি দুজনের। তবে আমরা সর্বশেষ বদিউল আলম খোকনের নির্দেশনায় ‘রাজা বাবু’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করি। এটি ছিলো দিতি অভিনীত মুক্তি পাওয়া সর্বশেষ চলচ্চিত্র। তার এমন চলে যাওয়া কষ্টের। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে বেহেস্ত নসীব করেন।

/এমআই/এমএম/

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ