behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

হৃত্বিক-কঙ্গনা বিতর্কএক ল্যাপটপকে ঘিরে জটলা

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক১৭:০০, এপ্রিল ০৭, ২০১৬

হৃত্বিক রোশন আর কঙ্গনা রনৌতের পাল্টাপাল্টি আইনি লড়াইয়ের ইস্যুটি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। দু’জনের সম্পর্কের তিক্ততা এতোটাই চরমে পৌঁছেছে যে, সহসা তাদের পারস্পরিক সঙ্কটের অবসান হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। এমন অবস্থায় দু’জনের তিক্ততা অবসানের অন্যতম ভরসা একটি অধরা ল্যাপটপ; যার মালিক কঙ্গনা।

হৃত্বিক ও কঙ্গনা।এ ল্যাপটপটিকেই এখন সকল জটলা খোলার চাবি বলে মনে করছেন হৃত্বিকের ঘনিষ্ঠজনরা। তাদের দাবি, ২৬ ফেব্রূয়ারি কঙ্গনাকে আইনি নোটিস পাঠানোর পর থেকে যে বিতর্কটি চরম আকার ধারণ করেছে তার অবসান ঘটাতে পারে ওই ল্যাপটপ। সেখান থেকে পাওয়া প্রমাণাদি দিয়ে হৃত্বিককে নির্দোষ প্রমাণ করা যেতে পারে বলেই বিশ্বাস করেন তারা। অন্যদিকে কঙ্গনার ঘনিষ্ঠদের দাবি, তার কাছ থেকে ল্যাপটপটি চাওয়া হয়নি।

হৃত্বিক রোশন ভারতের সাইবারক্রাইম সেলের সহায়তা নিয়ে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে অজ্ঞাত এক প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই ব্যক্তি হৃত্বিকের আইডি ব্যবহার করে তার এক ভক্তের সঙ্গে চ্যাট করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত মাসে সেই একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন হৃত্বিক। সেখানে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে কঙ্গনার নাম উপস্থাপন করেন তিনি। হৃত্বিকের দাবি, সেই প্রতারকই কঙ্গনার সঙ্গে তার পরিচয় দিয়ে চ্যাট করেছেন। আর তাই কঙ্গনাকে এক্ষেত্রে সাক্ষী হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

কঙ্গনা ও হৃত্বিক।হৃত্বিকের ঘনিষ্ট সূত্রের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, দুটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে এ আইনি প্রক্রিয়া জোরালো করতে চান হৃত্বিক। প্রথমত তিনি চান, আরও বেশি ক্ষতিসাধনের আগেই ওই প্রতারককে খুঁজে পেতে। দ্বিতীয়ত, তিনি এটা প্রমাণ করতে চান যে কঙ্গনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল না। সেই প্রতারকই কঙ্গনাকে ভাবতে বাধ্য করিয়েছেন যে দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক আছে।

হৃত্বিকের ওই ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, সাইবার ক্রাইম সেল এরইমধ্যে কঙ্গনার কাছ থেকে ল্যাপটপটি ফেরত চেয়েছে এবং কঙ্গনা তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, ওই ল্যাপটপটি পাওয়া গেলে জানা সম্ভব হবে যে প্রতারক কোন সূত্র থেকে কঙ্গনার সঙ্গে কথা বলেছেন ও মেইল পাঠিয়েছেন।

অন্যদিকে কঙ্গনার ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, সাইবার ক্রাইম সেল তার কাছ থেকে কখনও ল্যাপটপটি চায়নি। বরং গত চারদিন ধরে ক্রাইম সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেয়েও কঙ্গনা ও তার আইনজীবী ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন তারা।

কঙ্গনা ও হৃত্বিক।কঙ্গনার বন্ধুরা বলেন, ‘যে এফআইআরটিতে কঙ্গনার নাম রয়েছে তা দেখে তারপর করণীয় ঠিক করার অধিকার ওর রয়েছে। কঙ্গনা সে এফআইআরের কপিটি পাওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা হাতে পাওয়া সম্ভব হয়নি।’

কঙ্গনা গোটা নাটকীয় পরিস্থিতির অবসান চান বলেও দাবি করেছেন তারা।

/এফইউ/এমএম/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ