আর্টিজানের ঝোপে লুকিয়ে বাঁচার কথা জানালেন জাপানি নাগরিক তামাওকি

বিদেশ ডেস্ক
১৪ জুলাই ২০১৬, ১২:৪৯আপডেট : ১৫ জুলাই ২০১৬, ০৪:৩১
image

আর্টিজানের ঝোপে লুকিয়ে বাঁচার কথা জানালেন জাপানি নাগরিক তামাওকি গুলশান হামলা থেকে বেঁচে ফেরা একমাত্র জাপানি নাগরিক তামাওকি ওয়াতানাবে জাপানি পুলিশকে জানিয়েছেন, হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টের বাগানের এক ঝোপে লুকিয়ে হামলাকারীদের হাত থেকে রেহায় পেয়েছিলেন তিনি। তদন্তকারীদের বরাত দিয়ে জাপানি সংবাদমাধ্যম জাপান টাইমস খবরটি নিশ্চিত করেছে।
জাপান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ৪৬ বছর বয়সী তামাওকি ওয়াতানাবে গুলশান হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। এখন টোকিওর এক হাসপাতালে আছেন তিনি। আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠছেন তামাওকি। তিনি জানিয়েছেন, হলি অর্টিজানে গোলাগুলি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওই ক্যাফে থেকে বের হয়ে বাগানের ঝোঁপে এসে আশ্রয় নেন।
জাপানি পুলিশের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎকারে তামাওকি নিশ্চিত করেন, তার সঙ্গে আরও ৭ জাপানি নাগরিক ছিলেন। এবং জঙ্গিবিরোধী অপারেশন শেষে তাদের কেউ ভবন থেকে বের হয়ে আসেননি।
তামাওকি সেই ১৩ জনের একজন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় যারা গুলশানের অভিযান শেষে বের হয়ে এসেছিলেন।
নিজস্ব সূত্রের বরাত দিয়ে জাপান টাইমস জানিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার কথোপকথনের সময় শান্ত ছিলেন তামাওকি।
এরআগে ৭ জুলাই মঙ্গলবার গুলশানের আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত জাপানিদের মরদেহ নিজ দেশে পৌঁছায়। আহত জাপানি নাগরিক তামাওকিও অন্য একটি বিমানে করে দেশে পৌঁছান। জাপানের সংবাদমাধ্যম জাপান টাইমস খবরটি নিশ্চিত করেছে। জাপানের বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাকে স্ট্রেচারে করে টোকিওর একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
মঙ্গলবার মরদেহবাহী বিমানটি অবতরণের পর সাদা কাপড়ে ঢাকা কফিনগুলো নামিয়ে আনা হয়। এর পর চার চাকাবিশিষ্ট কার্গো ট্রলিতে কফিনগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত রাবাব ফাতিমা এবং অন্য কর্মকর্তারা সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

পরে সাংবাদিকদের ফুমিও কিশিদা বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের জঘন্য কর্মকাণ্ড মূল্যবান জীবন কেড়ে নিয়েছে। আমি আবারও এ ঘটনায় গভীরভাবে বেদনাবোধ করছি এবং ধিক্কার জানাচ্ছি।’

 

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। শনিবার সকালে রেস্টুরেন্টটিতে কমান্ডো অভিযান চালানো হয়। অভিযানের পর কয়েকজন বাংলাদেশি জিম্মির পাশাপাশি ১৭ জন বিদেশি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৭ জন জাপানি। নিহতরা বাংলাদেশে জাপান সরকারের একটির উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। নিহতদের বয়স ২৭ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে। সূত্র: জাপান টাইমস, এপি

/বিএ/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
এটা তো স্ত্রী ও সতীনের মধ্যে মারামারি নয়, চীন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী 
ফিফা আসিয়ান কাপে ভারত-পাকিস্তান, বাংলাদেশ নেই কেন
লোহিত সাগরে জাহাজে শুল্ক বসাতে চায় হুথি বিদ্রোহীরা
লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতার
সর্বাধিক পঠিত
২৩ বছর ধরে বন্ধ কারখানা এখন রফতানিমুখী, চাকরি পেলো ৩৫০০ মানুষ
ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, অবশেষে ধরা পড়লো প্রতারক
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার আট প্রকল্প অনুমোদন
নাসীরুদ্দীন-সারজিসের ওপর হামলা কেন, যা বলছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা
এক ক্লিকেই করদাতার সব তথ্য, এনবিআরকে নতুন রোডম্যাপ দিলো আইএমএফ