পরামর্শের জন্য হিলারির কাছেও যাবেন ট্রাম্প!

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৭:১৬, নভেম্বর ১৪, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২৩, নভেম্বর ১৪, ২০১৬





nonameনির্বাচনি প্রচারণার সময় যে হিলারি ক্লিনটনকে ট্রাম্প অযোগ্য বলেছেন, নানান ঘৃণাসূচক বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ঘায়েল করেছেন; এবার পরামর্শের জর্ন্য প্রয়োজনে সেই প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর কাছেও যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার যুক্তরাষ্টের সিবিএস টেলিভিশন চ্যানেলের ‘সিক্সটি মিনিট’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
এফবিআই-এর তদন্তের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে হিলারিকে জেলে পাঠানোর হুঙ্কারও ছেড়েছিলেন ট্রাম্প। তবে নির্বাচন জয়ের পরই দৃশ্যপটে বদল আনেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বিজয় ভাষণে (ভিক্টরি স্পিচ) হিলারির প্রশংসা করেন। তারআগে হিলারির কাছে ফোন পেয়েছিলেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
আররোববার যুক্তরাষ্টের সিবিএস টেলিভিশন চ্যানেলের ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, কেবল হিলারি নয়, ক্লিনটনও তাকে ফোন করেছিলেন। ট্রাম্প ক্লিনটনকে ‘খুবই চমৎকার মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন সিবিএস নিউজের ওই সাক্ষাৎকারে।
হিলারি খুবই শক্তিশালী মানুষ। তিনি খুবই স্বতস্ফূর্ত। হিলারি ও ক্লিনটন সম্পর্কে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি মনে করি তারা খুব মেধাবি পরিবার।’
গত মঙ্গলবার ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ট্রাম্প।
‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগানকে নির্বাচনি প্রচারণার অস্ত্র করেছিলেন ট্রাম্প। তার এই মহান আমেরিকা দিয়ে তিনি সেই কলম্বাসের আবিষ্কৃত আমেরিকাকে বুঝিয়ে থাকেন; যা শ্বেতাঙ্গ আাধিপত্যেরই নামান্তর। কালজয়ী ঐতিহাসিক হাওয়ার্ড জিন তার ‘পিপলস হিস্টরি অব আমেরিকা’য় লিখেছেন কিভাবে আদিবাসীদের ওপর হত্যা-নির্যাতন চালিয়ে, তাদের সম্পদ লুণ্ঠন করে এই কথিত আমেরিকায় শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য কায়েম করা হয়েছিল আর তার নাম দেওয়া হয়েছিল আমেরিকা আবিষ্কার।
সেই শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের রাজনীতির বিপরীতে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্থাপন করেছেন ট্রাম্প। তাদের মধ্যকার বিভক্তিকে সামনে আনতে চেয়েছেন। মেক্সিকোর সীমান্ত নয় কেবল, মানুষের মনের মধ্যে থাকা বিভক্তির দেয়ালকে উসকে দিতে চেয়েছেন তিনি। আর তাতে সফল হয়েছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ইলেক্টোরাল ভোট নিয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প। তবে নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের খবর প্রকাশের পরপরই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে। বিভিন্ন স্থানে ‘নট মাই প্রেসিডেন্ট’, ‘টাইম টু রিভল্ট’, ‘ফ্যাসিস্ট ট্রাম্প’, ‘রেজিস্ট রেসিজম’, ‘নো ট্রাম্প’ ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভকারীরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষজন বিক্ষোভে নেমেছেন, যা সাম্প্রতিক মার্কিন ইতিহাসে নজিরবিহীন।
/বিএ/

লাইভ

টপ