ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা দিবসেও বন্ধ থাকছে রাফাহ ক্রসিং

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৬:৪৯, নভেম্বর ১৫, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৫১, নভেম্বর ১৫, ২০১৭

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণার বর্ষপূতি আজ। কর্তৃপক্ষের নজরদারির মধ্যে এই উৎসব উদযাপন করবেন দেশটির নাগরিকরা। ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশটির অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত। এক্ষেত্রে তিনি ১৯৬৭ সালে নির্ধারিত সীমান্তের কথা উল্লেখ করেন। আলজেরিয়ায় ফিলিস্তিনের জাতীয় কাউন্সিল থেকে বের হয়ে এই ঘোষণা দেন তিনি।

সরকারিভাবে ফিলিস্তিনে ১৫ নভেম্বরকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। দিনটিতে রাষ্ট্রীয় ছুটি থাকে। এর বাইরেও ফিলিস্তিনিদের কাছে দিনটির বাড়তি আবেদন রয়েছে। কেননা এই দিনটিতেই গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যকার রাফাহ সীমান্তের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে আসে। দীর্ঘ ১০ বছর পর তারা এ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়।

রাফাহ সীমান্তের এ এ ক্রসিং পয়েন্টটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার রাতেও এটি খুলে দেওয়ার ব্যাপারে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের আগে এটি খুলে দেওয়া হবে না।

বিষয়টি নিয়ে ফিলিস্তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ আল মাকাদমা’র সঙ্গে কথা বলে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত এটি খুলে দেওয়ার কোনও নির্দেশনা তাদের কাছে নেই।

এ বছরের অক্টোবরে সমঝোতায় পৌঁছানোর ঘোষণা দেয় ফিলিস্তিনের ক্ষমতাসীন দল ফাতাহ এবং তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হামাস। মিসরের রাজধানী কায়রোতে ওই সমঝোতা চুক্তিতে উপনীত হওয়ার পর দল দুটির পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয় ১ নভেম্বর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ রাফাহ ক্রসিং-এর নিয়ন্ত্রণ নেবে। চলতি মাসের গোড়ার দিকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা সেখানে পৌঁছান। তারা এই ক্রসিং পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তবে এর ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়াদি ভালোভাবে বুঝে নিতে দুই সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানান তারা।

এই ক্রসিং শিগগিরই খুলে দেওয়ার ব্যাপারে মিসরের পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হবে কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এটি বন্ধ থাকায় গাজা উপত্যকার সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। হামাস ও ফাতাহ’র মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির ফলে মানুষ পরিস্থিতির উন্নয়ন আশা করেছিল। তবে বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন দেখা যায়নি।

/এমএইচ/এমপি/

লাইভ

টপ