রিজার্ভ চুরিআরসিবিসি’র বিরুদ্ধে মামলা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও নিউ ইয়র্ক ফেড’র আলোচনা

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১২:২১, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৫, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৭

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের ব্যাংক আরসিবিসি’র বিরুদ্ধে যৌথভাবে মামলা দায়েরের জন্য আলোচনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক। তবে নিউ ইয়র্ক ফেড এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও নিউ ইয়র্ক ফেড’র সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রিজার্ভের অর্থ চুরি

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিউ ইয়র্ক ফেড অ্যাকাউন্ট থেকে আট কোটি দশ লাখ ডলার চুরি করে হ্যাকাররা। সুইফট সিস্টেমের মাধ্যমে ভুয়া আদেশে এই অর্থ চুরি করা হয়। এই চুরির অর্থ ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোশেনে (আরসিবিসি) পাঠানো হয়। সেখান থেকে তা দেশটির ক্যাসিনোগুলোতে চলে যায়।

রিজার্ভ চুরির প্রায় দুই বছর হতে চললেও বিশ্বের বৃহত্তম হ্যাকিংয়ের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে পারেনি বাংলাদেশ। আর উদ্ধার করা হয়েছে মাত্র দেড়কোটি ডলার।

নভেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক ও নিউ ইয়র্ক ফেডের কর্মকর্তারা কনফারেন্স কলের মাধ্যমে আরসিবিসি’র বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। এই আলোচনায় সুইফটের দুই প্রতিনিধিও অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সম্পর্কে অবহিত তিনটি সূত্র রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এতে সিদ্ধান্ত হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক মামলার বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাঠাবে নিউ ইয়র্ক ফেডের কাছে।

একটি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের মার্চ-এপ্রিলের দিকে নিউ ইয়র্কে মামলা দায়েরের লক্ষ্য রয়েছে। কাজ চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক শিগগিরই প্রস্তাব পাঠাবে।

সূত্র মতে, বাংলাদেশ চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারে সিভিল মামলা দায়ের করতে চায়। কর্তৃপক্ষের আশা ফেড ও সুইফট মামলায় যৌথ বাদী হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সুভঙ্কর সাহা জানান, আরসিবিসি’র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

এই বিষয়ে নিউ ইয়র্ক ফেড ও সুইফট মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে ব্যাংকটির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শক মামলা দায়েরের বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন কনফারেন্স কলে। নিউ ইয়র্ক ফেডের কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত প্রস্তাব পর্যালোচনা করতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু যৌথ মামলা দায়েরের বিষয়ে রাজি হননি। এরপর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি।

 

/এএ/

লাইভ

টপ