রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার ফল পাচ্ছে আঙ্কারা: তুরস্ক

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৯:৫৪, মার্চ ১৩, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৫৬, মার্চ ১৩, ২০১৮

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার ফল পাচ্ছে আঙ্কারা। মঙ্গলবার মস্কো স্টেট ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্স (এমজিআইএমও)-তে তুর্কি পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে দেওয়া ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

মেভলুত কাভুসোগলু বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা শুরু হয়েছে সিরিয়ার আলেপ্পোতে। এরপর আমরা ইরানকেও এতে যুক্ত করেছি। যে বিষয়ে আমরা একমত হয় বাস্তবে সেটা প্রয়োগ করা হয়। এতে কারও বিরক্ত হওয়া উচিত নয়। বরং এর প্রতি সমর্থন দেওয়া উচিত।

পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন আইএসবিরোধী ৬৫ জাতির জোটকেও অকার্যকর হিসেবে আখ্যা দেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা একের পর এক বৈঠক করে গেছি। কিন্তু এতে করে কোনও ফল আসেনি। ৬৫টি দেশ মিলে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারছে না। বরং আমাদের কিছু মিত্র আরেকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে (কুর্দি বিদ্রোহীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন) পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

এদিকে কুর্দি অধ্যুষিত সিরীয় শহর আফরিন ঘিরে ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছে তুরস্কের সেনাবাহিনী। শহরটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকারও নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা।

২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি সিরিয়ার আফরিন ছিটমহলে কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে তুরস্ক। এর নাম দেওয়া হয় অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ।

সিরিয়ায় কুর্দি বিদ্রোহীদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক যুক্তরাষ্ট্র। আফরিনে তুর্কি অভিযান শুরুর পর তুরস্কের মার্কিন দূতাবাসের সামনের সড়কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় অলিভ ব্রাঞ্চ রোড।

সম্প্রতি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান বলেছেন, তার দেশ সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। তিনি বলেন, জারাবুলুস ও আল বাবের মতো আফরিন, ইদলিব ও মানবিজেও আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাবো। আমরা চাই আমাদের সিরীয় ভাই ও বোনেরা যেন তাদের নিজেদের ঘরবাড়িতে ফিরতে পারেন।

উল্লেখ্য, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সমর্থনে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিচ্ছে রাশিয়া। আসাদ সরকারের সমর্থনে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে ইরান সমর্থিত মিলিশিয়ারাও। আর কুর্দি অধ্যুষিত আফরিনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে তুরস্ক। আঙ্কারা বলছে, তারা শহরটিকে সন্ত্রাসীদের করিডোর হিসেবে ব্যবহৃত হতে দেবে না। আর তা নিশ্চিত করতেই অভিযান চালানো হচ্ছে।

/এমপি/

লাইভ

টপ