মক্কায় মিয়ানমারের নাগরিকের শিরশ্ছেদ, প্রকাশ্যে মরদেহ প্রদর্শন

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৭:১০, আগস্ট ১০, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:১৫, আগস্ট ১০, ২০১৮

সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে হত্যা, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্ত মিয়ানমারের একজন নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে গত বুধবার। শিরশ্ছেদ করার পর তার দেহ ‘ক্রুশবিদ্ধের’ মতো করে জনসমক্ষে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল, যা একটি বিরল ঘটনা। সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, অভিযুক্তের হাতে নিহত নারীও মিয়ানমারের নাগরিক।

ইলিয়াস আবুলকালাম জামালেদ্দিন নামের মিয়ানমারের অভিযুক্ত ব্যক্তি মক্কায় বসবাসরত অপর একজন মিয়ানমার নাগরিকের বাড়িতে গুলি চালাতে চালাতে প্রবেশ করেছিল। সেখানে এক নারীকে ছুরিকাহত করলে ভুক্তভোগী নারীর মৃত্যু হয়। জামালেদ্দিনের বিরুদ্ধে ওই বাড়িতে ডাকাতি ছাড়াও পাশের আরেকটি বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর পাশাপাশি ধর্ষণের চেষ্টা ও বন্দুকের সঙ্গে গুলি চুরি করার অভিযোগও ছিল তার বিরুদ্ধে।

সৌদি নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, শিরশ্ছেদ করার পর তাকে ‘ক্রুশবিদ্ধের’ মতো ঝুলিয়ে রাখার সিদ্ধান্তটি দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ও রাজা সালমান অনুমোদন করেছেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণ হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে, সৌদি আরব সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা দেশগুলোর একটি। সাধারণত দেশটিতে শিরশ্ছেদ করা হয়। কিন্তু এবারের ঘটনায় দোষী ব্যক্তির শিরশ্ছেদ করার পর তার দেহকে ক্রুশবিদ্ধের মতো দুই হাত দুই দিকে প্রসারিত অবস্থায় উন্মুক্ত স্থানে জনসাধারণের দেখার জন্য ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।

সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, ২০১০ সালে একটি শিশুকে ধর্ষণ ও তার পিত্যাকে হত্যার দায়ে এক ইয়েমেনি অভিযুক্তের ক্ষেত্রে সৌদি আরব ক্রুশবিদ্ধের সাজা কার্যকর করেছিল।

/এএমএ/

লাইভ

টপ