বিজেপিকে রথযাত্রার অনুমতি দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৯:১৪, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:২০, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮

বিজেপিকে কোচবিহার থেকে শুক্রবার রথযাত্রা করার অনুমতি  দেয়নি কলকাতা  হাইকোর্ট। প্রশাসনের বাধার পর রথযাত্রার অনুমতি চেয়ে আদালতে বিজেপির করা আবেদনটিও বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) খারিজ হয়ে গেছে।  

অমিত শাহ`র নেতৃত্বে এ রথযাত্রা হওয়ার কথা ছিল
কেন্দ্রীয় সরকারের ‘উন্নয়ন' আর রাজ্য প্রশাসনের ‘ব্যর্থতা' তুলে  ধরতে আগামী মাসে পশ্চিমবঙ্গের তিনটি জায়গা থেকে তিনটি রথযাত্রা বের করার সিদ্ধান্ত নেয় গেরুয়া শিবির। এই তিনটি রথের যাত্রাপথ এমনভাবে করা হয়েছিল যাতে রাজ্যের সমস্ত লোকসভা কেন্দ্রতেই পৌঁছানো যায়। ৪০ দিনের মধ্যে রাজ্যের ৪২ টি লোকসভাতে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল বিজেপি। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রাত পোহালেই ছিল কোচবিহার থেকে বিজেপির প্রথম রথযাত্রার উদ্বোধন। কিন্তু তার আগেই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে বড় ধাক্কা খেল বিজেপি। কোচবিহার জেলা প্রশাসন বিজেপি-র রথযাত্রার অনুমতি না দেওয়ায়, বুধবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় দলটি। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার বিরোধিতা করে কোচবিহার জেলা পুলিশের রিপোর্টকেই আদালতে পেশ করেন অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। দিনভর শুনানির পর বিজেপির শুক্রবারের রথযাত্রার আর্জি খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। জানিয়ে দেয়, রাজ্যজুড়ে এত বড় মাপের আয়োজন সম্পূর্ণ করা এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করার মতো যথেষ্ট সময় হাতে নেই। তাই এই রথযাত্রার অনুমতি আদালত দিচ্ছে না। আপাতত স্থগিত থাকছে রথযাত্রা। আগামী ৯ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। তার আগে কোনও রথযাত্রায় আদালত অনুমতি দিচ্ছে না।

বুধবার নবান্নে কোচবিহারের পুলিশ সুপারের পাঠানো রিপোর্টে বলে হয়েছিল যে, ওই জেলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। অতীতে একাধিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং সেই সমস্ত ঘটনায় প্রাণহানিও হয়েছে। পুলিশ সুপার ভোলানাথ পাণ্ডে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছেন, ‘রথযাত্রাকে সামনে রেখে কিছু দুষ্কৃতকারী ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশের অন্য প্রান্তের মতো এখানেও গোরক্ষকরা সহিংসতার পরিকল্পনা করেছে। পুলিশ সুপার তাঁর রিপোর্টে জানিয়েছেন, এ রকম স্পর্শকাতর পরিস্থিতিতে রথযাত্রা জেলায় পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।

আদালতের রায় জানার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। দলের  তরফে জানানো হয়েছে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করবে। তাছাড়া, দলের কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়  জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টেও আবেদন  করা  হবে।                 

/এফইউ/

লাইভ

টপ