ক্রাইস্টচার্চ হামলা: ফেসবুক-ইউটিউবের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের মুসলিম সংগঠনের মামলা

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:২৮, মার্চ ২৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৪৩, মার্চ ২৬, ২০১৯

ফ্রান্সে মুসলিমদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন দ্য ফ্রেঞ্চ কাউন্সিল অব দ্য মুসলিম ফেইথ (সিএফসিএম) এর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। প্যারিসের প্রসিকিউটরদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে তারা। সংগঠনটির অভিযোগ, নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের হামলার ফুটেজ নিজেদের প্ল্যাটফর্মে প্রকাশের সুযোগ দিয়ে সহিংসতায় উসকানি দিয়েছে ফেসবুক ও ইউটিউব। তবে অভিযোগের মুখে পড়া এ দুই কোম্পানির কারও পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফ্রান্সের আইন অনুযায়ী, তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৮৫ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

ক্রাইস্টচার্চ হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
১৫ মার্চ (শুক্রবার) ২৮ বছর বয়সী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারান্ট নামের সন্দেহভাজন হামলাকারীর লক্ষ্যবস্তু হয় নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদ। শহরের হাগলি পার্কমুখী সড়ক ডিনস এভিনিউয়ের আল নূর মসজিদসহ লিনউডের আরেকটি মসজিদে তার তাণ্ডবের বলি হয় অর্ধশত মানুষ। হামলার দৃশ্যটি ১৭ মিনিট ধরে ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করেছিল বন্দুকধারী। পরে সে ভিডিওর কপি অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় শুরু থেকেই তোপের মুখে রয়েছে ফেসবুক ও টুইটার। তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ফেসবুক ও টুইটারের বিরুদ্ধে মামলা করছে ফ্রান্সের মুসলিম সংগঠন দ্য ফ্রেঞ্চ কাউন্সিল অব দ্য মুসলিম ফেইথ (সিএফসিএম)।

সিএফসিএম-এর অভিযোগ, সন্ত্রাসবাদে উৎসাহ দেয় এবং মানবেজাতির মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে, এমন উপকরণ প্রচার করেছে কোম্পানিগুলো।

সিএফসিএম-এর ইসলামোফোবিয়া মনিটরিং ইউনিটের প্রেসিডেন্ট আব্দাল্লাহ জেকরি জানিয়েছেন, ফ্রান্সে তার সংগঠনের পক্ষ থেকে ফেসবুক ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে বিশ্বের চার বড় প্রযুক্তি কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে চিঠি লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাউস কমিটির প্রধান। সহিংস রাজনৈতিক কনটেন্ট সরিয়ে নিতে কোম্পানিগুলোকে আহ্বান জানানো হয়েছে। 

/এফইউ/

লাইভ

টপ