ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে-র তিন খসড়া প্রস্তাব দেশটির পার্লামেন্ট বাতিলের পর সোমবার চার বিকল্প প্রস্তাবের ওপর ভোট দেন দেশটির এমপিরা। তবে এ বিকল্পগুলোও এমপিদের ভোটে বাতিল হয়ে গেছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্লামেন্টের ভোটাভুটিতে চার বিকল্প প্রস্তাবের একটিও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। চার ঘণ্টা বিতর্কের পর এমপিদের ভোটে সবকটি প্রস্তাবই বাতিল হয়ে যায়।
পার্লামেন্ট বিকল্প প্রস্তাবগুলোও খারিজ করে দেওয়ায় এখন থেরেসা মে-কে আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে হয় ইইউ’র কাছ থেকে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের সময়সীমা বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। অন্যথায় চুক্তি ছাড়াই ইইউ ত্যাগের পথে হাঁটতে হবে তাকে। পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।
২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের রায় অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ রাত ১১টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ ত্যাগের কথা ছিল যুক্তরাজ্যের। ব্রেক্সিট পরবর্তীকালে ইইউ-এর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের শর্ত নির্দিষ্ট করে তৈরি হয় ব্রেক্সিট চুক্তি। কিন্তু যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তিন দফায় তা হাউস অব কমন্সে পাস করাতে ব্যর্থ হন। তৃতীয় দফায় ভোটাভুটির আগে তিনি বলেছিলেন, তার প্রস্তাবিত ব্রেক্সিট চুক্তিতে যদি এমপিরা সমর্থন দেন তাহলে তার বদলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকেও সরে যেতে প্রস্তুত। তা সত্ত্বেও প্রত্যাখ্যাত হয় তার ব্রেক্সিট পরিকল্পনা। সর্বশেষ চার বিকল্প প্রস্তাবও নাকচ করে দিয়েছে পার্লামেন্ট।








