ট্রাম্পের রুশ সংযোগের প্রতিবেদন পর্যালোচনা হোয়াইট হাউসের!

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৪:৫৬, এপ্রিল ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৫৭, এপ্রিল ১৮, ২০১৯

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের রুশ সংযোগের তদন্ত প্রতিবেদন হোয়াইট হাউস পর্যালোচনা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ওই প্রতিবেদন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে হোয়াইট হাউস। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। এবিসি নিউজ-ও একই রকমের খবর দিয়েছে।

আগামী বৃহস্পতিবার বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে সম্পাদিত আকারে ওই প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে। এর মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে হোয়াইট হাউসের তৎপরতার খবর সামনে এলো।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্পকে আইনি সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই ওই প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা করেছে হোয়াইট হাউস। তবে এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন হোয়াইট হাউস এবং বিচার বিভাগের মুখপাত্র।

২০১৯ সালের ২৩ মার্চ বিশেষ কৌঁসুলি রবার্ট মুলার ট্রাম্পের রুশ সংযোগ সংক্রান্ত এ তদন্ত প্রতিবেদন বিচার বিভাগে জমা দেন। তবে শুরু থেকেই ট্রাম্প শিবিরের পক্ষ থেকে এ তদন্তের সমালোচনা করা হচ্ছিল। মুলারকে অনির্বাচিত একজন ব্যক্তি আখ্যা দিয়ে তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে দফায় দফায় প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প।

২০১৬ সালের নভেম্বরে মার্কিন নির্বাচনে রুশ সংযোগের বিষয়টি অনেকদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জেতাতে মস্কো প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্তের পর এই তদন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের দিকে মোড় নেয়। তবে ট্রাম্পের পাশাপাশি রাশিয়াও বরাবরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে তদন্তকারী রবার্ট মুলারের প্রতিবেদন নিয়ে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৪২০ জন আইনপ্রণেতা কংগ্রেস ও জনগণের কাছে তদন্ত প্রতিবেদনটি উন্মুক্ত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ওই প্রস্তাবের বিপক্ষে কোনও ভোট পড়েনি। তদন্ত প্রতিবেদন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এটা বাইরে আসতে দিন। মানুষকে দেখতে দিন। তবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে দেওয়া হবে কি না, সেটা নির্ভর করছে আইনমন্ত্রীর ওপর। আমরা দেখব কী ঘটে। আমরা দেখব এটা ন্যায়সঙ্গত কি না।’

অতীতের ধারাবাহিকতায় ট্রাম্প মুলারের তদন্তকর্মের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশের ইতিহাসে আমার জয় ছিল সবচেয়ে বড় নির্বাচনি সাফল্যগুলোর একটি। অসামান্য সাফল্য। কোটি কোটি ভোটার সমর্থন দিয়েছেন। কিন্তু এখন এমন একজন ব্যক্তি একটি প্রতিবেদন লিখে দিতে যাচ্ছেন যিনি কোনও দিন একটি ভোটও পাননি।’

/এমপি/

লাইভ

টপ