মেলানিয়ার সহযোগী হচ্ছেন হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ০৩:১০, জুন ২৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১২, জুন ২৬, ২০১৯

হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি ও কমিউনিকেশন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের শীর্ষ এক সহযোগী। মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় স্টিফানি গ্রিসামকে এসব পদে নিয়োগের কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প। মেলানিয়ার ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও কমিউনিকেশন ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন গ্রিসাম। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও তাকে নিয়োগ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি হচ্ছেন স্টিফানি গ্রিসাম

এ মাসের শুরুতে পদত্যাগের ঘোষণা করেন হোয়াইট হাউসের বর্তমান প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে জুনের শেষে হোয়াইট হাউসের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা জানান তিনি। স্যান্ডার্সের পদত্যাগে কারণে খালি হতে যাচ্ছে প্রেস সেক্রেটারি’র পদটি। এছাড়া গত মার্চে বিল সেনের পদত্যাগের পর থেকেই খালি রয়েছে হোয়াইট হাউসের কমিউনিকেশন ডিরেক্টরের পদ। এবার এই দুই পদই সামলাবেন স্টিফানি গ্রিসাম।

মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, বহু মানুষ কাজটি পেতে চাইছিল। আমি অনেককেই জিজ্ঞেস করেছি, তারা কাকে এই পদে দেখতে চান। আর অনেকেই আমাকে স্টিফানি গ্রিসামের নাম বলেছে। সে এখানে ছিল, প্রত্যেককে চেনে। প্রকৃতপক্ষে সে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ভালোভাবেই সংশ্লিষ্ট। ট্রাম্প জানান, সকালেই হোয়াইট হাউসের দায়িত্ব নিতে সম্মতি দিয়েছেন স্ট্রিফেন গ্রিসাম। এর আগে এক টুইট বার্তায় মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন, ‘প্রশাসন এবং দেশের সেবায় তার চেয়ে ভালো ব্যক্তির কথা আমি ভাবতে পারছি না’।

২০১৫ সালে ট্রাম্প পরিবারে কাজ শুরু করেন স্টিফানি গ্রিসাম। ট্রাম্পের নির্বাচনি কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে এখনও হোয়াইট হাউসে থেকে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি একজন। ফার্স্ট লেডির দায়িত্ব পালনের সময় প্রেসিডেন্ট এবং ট্রাম্প পরিবারের অনুগত হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। গত বছরের জুনে টেক্সাসে অভিবাসী শিশুদের একটি আটক কেন্দ্রে সফরের সময় মেলানিয়ার পরিহিত একটি জ্যাকেট নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। ওই সময়ে ফার্স্ট লেডির ফ্যাশনে মার্কিন মিডিয়ার মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হওয়ার কড়া সমালোচনা করেছিলেন স্টিফানি গ্রিসাম।

হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরেও ফার্স্ট লেডির পক্ষে গ্রিসাম জোরালো ভূমিকা রেখেছেন বলেও সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। গত বছর খবর ছড়িয়ে পড়ে যে আফ্রিকায় মেলানিয়ার একক সফর নিয়ে ফার্স্ট লেডির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি উপদেষ্টা মিরা রিকারডেল। ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয় এই ঘটনায় ট্রাম্পের কমকর্তারা ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে রিকারডেলের বিরুদ্ধে কঠোর বিবৃতি দেন গ্রিসাম। ওই বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ফার্স্ট লেডির কার্যালয়ের অবস্থান হলো তিনি (রিকারডেল) আর কোনওভাবেই এই হোয়াইট হাউসের সেবা করার সম্মানের যোগ্য নন’। কয়েক দিন পরেই রিকারডেল নিজের পদ ছেড়ে দিয়ে প্রশাসনের অন্য পদের দায়িত্ব নেন।

স্ট্রিফানি

/জেজে/

লাইভ

টপ