মুক্তি পেলেন উ. কোরিয়ায় আটক অস্ট্রেলীয় শিক্ষার্থী

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১২:০০, জুলাই ০৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৫৯, জুলাই ০৪, ২০১৯

উত্তর কোরিয়ায় নিখোঁজ হয়ে যাওয়া অস্ট্রেলীয় শিক্ষার্থীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। পার্লামেন্টে মরিসন বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার আটকাবস্থা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে অ্যালেক সিজলিকে। উল্লেখ্য, উত্তর কোরিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার নিজস্ব দূতাবাস নেই।

উ. কোরিয়ায় আটক থাকা অস্ট্রেলীয় শিক্ষার্থী

গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ায় অবস্থানরত আলেক সিজলি (২৯) নামের অস্ট্রেলিয়ীয় শিক্ষার্থীকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেছে তার পরিবার। তাদের আশঙ্কা ,সিজলিকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের তরফে জানানো হয়, গত মঙ্গলবার থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। পিয়ংইয়ং-এর তরফ থেকেও ওই শিক্ষার্থীকে গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করা হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে পরিস্থিতি মারাত্মক আখ্যা দিয়ে ওই শিক্ষার্থীর অবস্থান জানাতে পিয়ংইয়ং কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) পার্লামেন্টে অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী মরিসন ঘোষণা করেন, সিগলি মুক্তি পেয়েছেন। জানান, জটিল ও স্পর্শকাতর এ ঘটনার সমাধানে কর্মকর্তাদের বিচক্ষণ প্রচেষ্টার ফল এটি। তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ায় আটকাবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছেন অ্যালেক সিগলি। তিনি সুস্থ ও নিরাপদ আছেন। কোরিয়া জানিয়েছে, তারা তাকে মুক্ত করেছে এবং নিরাপদে দেশ ছেড়েছে। আমি নিশ্চিত করতে পারি তিনি নিরাপদে ফিরে এসেছেন।'   

সংবাদমাধ্যম এনকে নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিলো, সিজলি বেইজিং পৌঁছেছেন। সেখান থেকে খুব শিগগিরই টোকিও যাবেন। 

এর আগে ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক জন শর্টকে উত্তর কোরিয়ায় আটকের পর ফেরত পাঠানো হয়। পর্যটন কেন্দ্রে খ্রিষ্ট্র ধর্মের পুস্তিকা বিতরণের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের বিষয়ে উত্তর কোরিয়া বেশ কঠোর আর বহুবারই মিশনারীদের আটকের ঘটনা ঘটেছে।

অন্য অনেক পশ্চিমা দেশের মতো উত্তর কোরিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার কোনও দূতাবাস নেই। সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে পিয়ংইয়ং-এর সঙ্গে সীমিত পর্যায়ের যোগাযোগ রয়েছে তাদের।

২৯ বছর বয়সী অস্ট্রেলীয় নাগরিক সিগলি পিয়ংইয়ং এ স্নাতকোত্তরে পড়াশোনা করার পাশাপাশি একটি পর্যটন ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ায় আটক হন তিনি। কোরীয় ভাষায় পারদর্শী এ তরুণকে কেন আটক করা হয় তা জানা যায়নি। পিয়ংইয়ং এ দূতাবাস না থাকায় অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছিলো না। অবশেষে সুইডিশ কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেয় অস্ট্রেলিয়া।

/এমএইচ/এফইউ/বিএ/

লাইভ

টপ