যুক্তরাজ্যের নতুন বাণিজ্য পরিকল্পনায় লাভবান হবে বাংলাদেশ

Send
অদিতি খান্না, যুক্তরাজ্য
প্রকাশিত : ২২:৫৪, জুলাই ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৫৫, জুলাই ২২, ২০১৯

যুক্তরাজ্যের আসন্ন বাণিজ্য পরিকল্পনায় লাভবান হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য দফতর বাণিজ্য বিস্তারে ১ হাজার ৪০০ কোটি পাউন্ডের সহায়তা বাজেট বরাদ্দ করতে যাচ্ছে। এর ফলে বেশ কয়েকটি দেশের মতো উপকৃত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশও। অন্যান্য দেশগুলো হচ্ছে নাইজেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, কলম্বিয়া, পেরু এবং ইন্দোনেশিয়া।

নতুন এই নীতির উদ্দেশ্য হচ্ছে উন্নয়শীল দেশগুলোর পেছনে যুক্তরাজ্য অনেক অর্থ ব্যয় করবে। দেশগুলো যুক্তরাজ্যে বাণিজ্য চুক্তির অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পারবে। বৈদেশিক মুদ্রা থেকে আয়কৃত অর্থের দশমিক সাত শতাংশ নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য বরাদ্দ করবে যুক্তরাজ্য। এই বাণিজ্য সম্পর্কিত প্যাকেজটি তৈরি করবে অফিশিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসটেন্স আর বরাদ্দ দিবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক দফতর।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী ড. লিয়াম ফক্স বলেন, ‌‘আমরা উন্নয়ন ও বাণিজ্যকে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘মুক্ত বাণিজ্যের মাধ্যমেই বৈশ্বিকভাবে একটি প্রজন্মের ১০০ কোটি মানুষকে আমরা দারিদ্রের কষাঘাত থেকে মুক্তি দিয়েছি। এটা আমাদের অন্যতম সেরা অর্জন। আমরা চাই এই বিষয়টা অব্যাহত থাকুক।’

বিরোধী দল লেবার পার্টির দাবি, সরকার বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ধনী বিনিয়োগকারীদের লাভবান করার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক ছায়া প্রতিমন্ত্রী ড্যান কারডেন বলেন, ‘সরকার খুব করে ব্রেক্সিট পরবর্তী চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন করছে। তাদের সহায়তা তহবিল বাজেট আর যাই হোক না কেন বৈশ্বিক দারিদ্র মোকাবিলার জন্য ব্যবহৃত হবে না।’     

যুক্তরাজ্যের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার হচ্ছে ব্রিটেন। ২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে ৩৬০ কোটি পাউন্ডেরও বেশি বাণিজ্য হয়েছে। বাংলাদেশ রফতানি করেছে ৩০০ কোটি পাউন্ড সমমূল্যের পণ্য আর আমদানি করেছে ৬২ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ড।

বাংলাদেশের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস যুক্তরাজ্য। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ ছিল ৩৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার। 

সম্প্রতি যুক্তরাজ্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে গেলে শুল্ক মুক্ত ও  কোটা মুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়া হবে বাংলাদেশকে।

 

/এমএইচ/এএ/

লাইভ

টপ