আল-আকসায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের হামলা

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:১৯, আগস্ট ১১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৩০, আগস্ট ১১, ২০১৯

ঈদুল আজহার দিনেই পবিত্র আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এই ঘটনায় অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, ঈদের দিন সেখানে জড়ো হওয়া মুসল্লিদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, রাবার বুলেট এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ইসরায়েলি পুলিশ।

আল-আকসা

পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণটি একইসঙ্গে মুসলিম ও ইহুদিদের জন্য পবিত্র স্থান বলে বিবেচিত হয়। মুসলিমরা একে আল হারাম আল শরিফ নামে ডেকে থাকেন। আর ইহুদিরা এ স্থানটিকে ডাকেন টেম্পল মাউন্ট নামে। ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর যখন ইসরায়েল এই এলাকায় প্রবেশাধিকার পায় তখন শুধু মুসলিমরাই আল-আকসায় নামাজ পড়তে পারতো। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় প্রার্থনার সুযোগ পেত ইহুদিরা। ১৯৬৭ সালের পর থেকে ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রেখেছে। পূর্ব জেরুজালেমকে নিজেদের অবিভাজ্য রাজধানী বলে দাবি করে থাকে ইসরায়েল। অবশ্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশ ইসরায়েলের এই দখলদারিত্বকে স্বীকৃতি দেয় না।

এদিন ঈদের নামাজ আদায় করতে মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদে উপস্থিত হন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। একইদিন ইহুদিদের তিশা বা’ভ উৎসব টেম্পল মাউন্টে। ফলে দুই পক্ষের ম্যেধ  উত্তেজনা তৈরি হয়।

আল-আকসা চত্বরে ইসরায়েলিরা প্রবেশ করতে  পারে এমন আশঙ্কায় আগে থেকেই সেখানে জড়ো হন মুসলিমরা। এসময় তাদের বলতে শোনা যায়- “নিজেদের সব উজাড় করে দিয়ে আল-আকসা তোমাকে পুনরুদ্ধার করব আমরা।”

সংঘাত এড়াতে ইহুদিদের আল-আকসায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। আল-জাজিরার প্রতিবেদক ফসেট বলেন, কোনও অমুসলিমকে সেখানে প্রবেশ  করতে দেওয়া হয়নি। তবে একটা সময় পুলিশ প্রবেশ করে এবং রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

 

/এমএইচ/

লাইভ

টপ