ইয়েমেনে মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত, ইরানকে দোষারোপ ট্রাম্পের

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৬:৩৫, আগস্ট ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৩৭, আগস্ট ২২, ২০১৯

ইয়েমেনে একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। বুধবারের এই ঘটনার কথা স্বীকার করে এজন্য ইরানকে দোষারোপ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কে নতুন  করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

 

বুধবার ভোরে হুথিদেরআকাশ প্রতিরক্ষা বিভাগ যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি উন্নত ড্রোন এমকিউ-নাইন ভূপাতিত করে।  ধামার প্রদেশের আকাশে ওড়ার সময় মার্কিন ড্রোনটিকে ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে আঘাত করা হয়েছে। এর ফলে তা ভূপাতিত হয়।   যুক্তরাষ্ট্রে দাবি, ড্রোন ভুপাতিত করা মিসাইলটি হুথিদের ইরান সরবরাহ করেছে। তবে ড্রোনটি মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহার করছিলো নাকি গোয়েন্দা সংস্থা তা এখনও জানা যায়নি। 

তবে হুথিদের দাবি, ওই মিসাইল তারা নিজেরাই তৈরি করেছে। ইরানের কাছ থেকে নেয়নি।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনী আমাদের ড্রোন ভুপাতিত কররেছে। এটা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র ইরান হুথিদের সহায়তা করায়। এতে আরেকবার প্রমাণিত হলোযে ইরান সরকার বৈশ্বিক শান্তি চায় না। 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায় তারা এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আর্ল ব্রাউন এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা স্পষ্ট করেছি যে এখানে ইরানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য তারা হুমকি। 

এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ‘আরকিউ-৪ গ্লোবাল হক’ ড্রোন ভূপাতিত করে ইরান।
 পরমাণু চুক্তি নিয়ে মতানৈক্যের পর ইরানের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে উগসাগরীয় এলাকায় বিমানবাহী রণতরি ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ যুদ্ধ সরঞ্জাম মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র। আরব উপসাগরে সাম্প্রতিক দুটি ট্যাংকার বিস্ফোরণের ঘটনায় ইরানকে দায়ী করে কয়েকদিন আগেই মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।  

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে পরমাণু নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু গত বছর ইউরোপীয় মিত্রদের বাধা সত্ত্বেও ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। পরে ইরানের ওপর তেল রফতানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। সেখান থেকেই দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনার সূত্রপাত হয় 

/এমএইচ/‘

লাইভ

টপ