চীনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ২০:৪৪, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪৬, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৯

বাণিজ্য ইস্যুতে চীনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার টুইটারে দেওয়া পোস্টে এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি।ডোনাল্ড ট্রাম্প
টুইটে ট্রাম্প বলেন, চীনের সঙ্গে আলোচনায় আমরা খুব ভালো করছি। যদিও আমি নিশ্চিত যে, তারা একটি নতুন প্রশাসনের সাথে কাজ করতে পছন্দ করবে; যাতে করে তারা ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতারণা বা চৌর্যবৃত্তির’ অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু ২০২০ সালে আমি ফের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে চীনের কী হবে! তখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের বাণিজ্য চুক্তি আরও কঠিন হয়ে পড়বে। এ সময়ের মধ্যে তাদের সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়বে। ব্যবসা, চাকরি ও অর্থ হারাবে চীনারা।

এর আগে চীনকে ‘চোর’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশটির বিকল্প খোঁজার পরামর্শ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত আগস্টের শেষদিকে টুইটারে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে চীন আমাদের ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতি করছে। তারা বছরে আমাদের কয়েকশ বিলিয়ন ডলারের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ চুরি করেছে। তারা এ কাজ অব্যাহত রাখতে চায়। কিন্তু আমি এটা হতে দিতে পারি না। চীনকে আমাদের প্রয়োজন নেই। সত্যি বলতে তাদের ছাড়াই আমরা অনেক ভালো থাকতে পারি। বছরের পর বছর ধরে, যুগের পর যুগ ধরে তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন ও চুরি করেছে। তাদের অবশ্যই এটা বন্ধ করতে হবে। আমাদের মহান আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে চীনের বিকল্প খোঁজার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশে নিয়ে আসা এবং পণ্যসামগ্রী যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদনের বিষয়টিও রয়েছে।

চীনের সঙ্গে বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে গত বছর থেকে বেইজিংয়ের রফতানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ আর ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নামের কথিত সংরক্ষণশীল নীতির ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতায় আসা ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বেইজিং-ও মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে। বাণিজ্য নিয়ে উত্তেজনা কমাতে এ বছর ওয়াশিংটন ও বেইজিং কয়েক দফা বৈঠকও করেছে। কিন্তু ট্রাম্পের টুইটগুলোই বলে দেয়, সেসব বৈঠক আসলে ঠিক কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে! সূত্র: টুইটার, আনাদোলু এজেন্সি।

/এমপি/

লাইভ

টপ