জাতিসংঘ সনদ ও দ্বিপক্ষীয় সমঝোতায় কাশ্মির সংকটের সমাধান চায় চীন

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৯:৫৫, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৫৭, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৯

জম্মু-কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন ও বিশেষ অধিকার বাতিলের সৃষ্ট সংকট শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিরসন করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের সংশ্লিষ্ট সনদ ও দ্বিপক্ষীয় সমঝোতায় গুরুত্ব দিচ্ছে চীন। দুই দিনের পাকিস্তান সফর শেষে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইই এক বিবৃতিতে একথা বলেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, জম্মু-কাশ্মিরের পরিস্থিতি জটিল হয় এমন যেকোনও একতরফা পদক্ষেপের বিরোধিতা করে চীন।  

ইসলামাবাদে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দুই দিনের সফরে কাশ্মির ইস্যুতে দুই পক্ষ থেকে মতবিনিময় করা হয়। পরে তারা এক যৌথ বিবৃতি দেয়। তাতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়, ওই অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি ও মানবিক ইস্যুতে গুরুত্ব দিয়েছে চীন।

৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। লাদাখ ও কাশ্মিরকে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে বিল পাস হয়। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মিরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। জারি করা হয়েছিল বিধিনিষেধ। গ্রেফতার করা হয়েছে সেখানকার শত শত নেতাকর্মীকে। সেখানে উন্নয়নের জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এটা দেশটির ‘সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়’ ভারতের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হলেও পাকিস্তান বলছে, সেখানে কাশ্মিরিদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। দিল্লির ওই পদক্ষেপের পর এর প্রতিবাদে জাতিসংঘে বৈঠকের আবেদন করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু এতে কাজ না হওয়ায় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি চিঠি দেন নিরাপত্তা পরিষদে। পরে চীন নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের জন্য আহ্বান জানালে তা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেখানে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি অস্বীকৃতি জানায় পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলো।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে,  জম্মু-কাশ্মিরের বর্তমান পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে তারা।

চীনের পক্ষে জানানো হয়, দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের চার্টারের ভিত্তিতে এ সংকট সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে বেইজিং। এসময় ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি জটিল হয় এমন একতরফা পদক্ষেপ নেওয়ার বিরোধিতা করেছে তারা।

 

 

/এইচকে/এএ/

লাইভ

টপ