অস্ট্রেলিয়ায় দাবানলে পুড়ছে বনাঞ্চল

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৭:৫৫, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৫৭, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯

অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দুটি অঙ্গরাজ্যে ১৩০টিরও বেশি দাবানল ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা। এরইমধ্যে এসব এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে কয়েক হাজার মানুষকে। কর্মকর্তারা বলছেন, দাবানল মওসুমের শুরুতে কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের তীব্র আগুন রেকর্ড ছুয়েছে। মঙ্গলবার পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্যে নিউ সাউথ ওয়েলস-এ ৫৮টি দাবানলে এক লাখ হেক্টর এলাকার বনাঞ্চল পুড়েছে। দাবানলে বেশ কয়েকটি বাড়ি পুড়ে গেলেও কর্মকর্তারা অগ্নিনির্বাপণকর্মীদের বীরের মতো ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

সোমবার রাতভর তিন শতাধিক অগ্নিনির্বাপণকর্মী কুইন্সল্যান্ডের সানশাইন উপকূলে একটি বড় দাবানল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়েছে। ওই দাবানল পেরেজিয়ান বিচ-এর আবাসিক এলাকার ঘরবাড়ির জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত দাবানলে পুড়ে গেছে সেখানকার বড় একটি বাড়ি।

কুইন্সল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রিমিয়ার জ্যাকি ট্রাড মঙ্গলবার বলেন, ‘গত রাতে অগ্নিনির্বাপণকর্মীদের হারকুলিয়ান (গ্রিক বীর হারকিউলিস-এর মতো) প্রচেষ্টার ফল হয়েছে আশ্চর্য রকমের। তিনি সেখানকার বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন।

উপকূলীয় এলাকায় দাবানলের কারণে চার শতাধিক মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। এই সপ্তাহের শুরুতে তাপমাত্রা বৃদ্ধিসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে জ্যাকি ট্রাড জানান, এসব কারণে এই অঞ্চলে দাবানলের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।

সপ্তাহের শেষ দিকে কুইন্সল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকার রেইনফরেস্টে আগুনের ঘটনা ঘটে। চলতি বছর অল্প বৃষ্টিপাতের কারণে এই বনাঞ্চল শুষ্ক হয়ে পড়েছিল।

শুষ্ক ও গরম পরিস্থিতির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগের বাতাস পেরেজিয়ান এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ভূমিকা রাখছে। মঙ্গলবারও এই আগুন বেশ কিছু বাড়িঘরের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

পুলিশ বলছে কীভাবে আগুন শুরু হয়েছে তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছেন তারা।

কুইন্সল্যান্ডে সাধারণত দাবানলের ঘটনা খুব কম ঘটে বলে এখানে দাবানল মওসুমের কথা বিবেচনা করা হয় না। তবে নিউ সাউথ ওয়েলস ও ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যে অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দাবানল মওসুম ধরা হয়।

 

/জেজে/এএ/

লাইভ

টপ