বিজেপির তোপের মুখে মালালা ইউসুফজাই

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৫:৩২, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৩৭, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯

কাশ্মির নিয়ে টুইটারে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের তোপের মুখে পড়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী পাকিস্তানি মানবাধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। অবরুদ্ধ উপত্যকার শিশুদের সহায়তায় পদেক্ষেপ নিতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মালালা। আসন্ন সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছেন তিনি।  টুইটের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি ও শিবসেনার নেতানেত্রীরা তার সমালোচনা শুরু করেছেন।

মালালা ইউসুফজাই

৫ আগস্ট (সোমবার) ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মিরজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সেনা। দীর্ঘদিন স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার পর সেগুলো খুলে দেওয়া হলেও ভয়ের কারণে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাচ্ছে না। এর প্রেক্ষিতে টুইট বার্তায় মালালা বলেছেন, ‘শিশুসহ প্রায় চার হাজার মানুষ জোরপূর্বক আটক ও দণ্ড দেয়া হয়েছে, শিক্ষার্থীরা গত ৪০ দিন ধরে স্কুলে যেতে পারছে না, মেয়ে ঘরছাড়া হওয়ার ভয়ে ভীত। এমন খবর শুনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’ বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে মালালা বলেন, ‘আমি জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগদানকারী ছাড়াও অন্য নেতাদের আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা কাশ্মিরিদের দাবি শুনুন, সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করুন। শিশুরা যেন নিরাপদে স্কুলে ফিরতে পারে সেই সহায়তা করুন।’

মালালার টুইটের জবাবে কর্নাটকের বিজেপির এমপি শোভা করন্দলাজে লিখেছেন, ‘নোবেলজয়ীর কাছে অনুরোধ, আপনি পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে কিছু বলার জন্য একটু সময় খরচ করুন। আপনার নিজের দেশে যেভাবে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে, যেভাবে সংখ্যালঘু মেয়েদের নিপীড়ন করা হচ্ছে, তা নিয়ে কিছু বলুন।’

শিবসেনা নেত্রী প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী বলেন, কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের ভাবনাকেই এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করছেন মালালা। মালালার টুইটের এক দিন পরে, রোববার সকালে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের দুরবস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন। টুইটারে রাজনাথ লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ফলে মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা উচিত নয় পাকিস্তানের। পাকিস্তানে শিখ ও অন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের কী হাল, গোটা বিশ্বের সামনে তা গোপন নেই।’

/বিএ/

লাইভ

টপ