ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচন আজ

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৩:৫১, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:৫৬, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিজেদের রায় জানাতে ভোটকেন্দ্রে হাজির হচ্ছেন ভোটাররা। পাঁচ মাসের মধ্যে এটি ইসরায়েলের দ্বিতীয় দফা সাধারণ নির্বাচন। গত ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোনও পক্ষ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ কিংবা জোট সরকার গঠনে ব্যর্থ হওয়ায় নতুন নির্বাচনের আয়োজন করতে হয়। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এবারের নির্বাচনে ১২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে মোট ৩১টি দল। মোট পোলিং স্টেশনের সংখ্যা ১১ হাজার ১৬৩। নির্বাচনে মূল লড়াই হবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক সেনাপ্রধান বেনি গান্টজ-এর মধ্যে। ডানপন্থী লিকুদ পার্টির হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নেতানিয়াহু। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বেনি গান্টজ মধ্য ডানপন্থী ব্লু অ্যান্ড হোয়াইট পার্টি-র হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

সবশেষ জরিপে নেতানিয়াহুর জয়ের আভাস মিলেছে। তবে দৃশ্যত এবারও তার জন্য নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে তাকে সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাভিগডো লিবারম্যানের শরণাপন্ন হতে হবে। এপ্রিলের নির্বাচনের পর নেতানিয়াহুর সরকারে থাকতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন লিবারম্যান। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনেও কিং মেকার বা সরকার গঠনের মূল নিয়ামকে পরিণত হতে পারেন তিনি।

জরিপ অনুযায়ী, ইসরায়েলি পার্লামেন্ট (নেসেট)-এর ১২০ আসনের মধ্যে ৫৮টিতে জয় পেতে পারে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি। বেনি গ্যান্টজের নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোট পেতে পারে ৫৩টি আসন। ৮টি আসন নিয়ে সরকার গঠনের নিয়ামক শক্তিতে পরিণত হতে পারে অ্যাভিগডো লিবারম্যানের দল ‘ইসরায়েল বেইতেনু’। স্থানীয় সময় রাত ১১টায় ভোটগ্রহণ শেষে নতুন জোট সরকার গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলের মধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু হতে পারে।

ইসরায়েলের ইতিহাসে এই প্রথম একই বছরে দুইটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘটনা ঘটলো। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তিনটি দুর্নীতির মামলা রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মায়ের কোহেন বলেন, নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বহু প্রশ্ন রয়েছে। নির্বাচনে হেরে গেলে তার ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

নির্বাচনের মাঠে দুর্নীতির অভিযোগ আড়াল করে আক্রমণাত্মক বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে সরব থেকেছেন নেতানিয়াহু। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমতায় ফিরলে ফিলিস্তিনের কাছ থেকে জর্ডান উপত্যকা ও ডেড সি দখল করে নেওয়া হবে। ট্রাম্পের সঙ্গে করমর্দনের ছবি দিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন বানিয়ে ভোটারদের বার্তা দিতে চাইছেন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিধর দেশের সমর্থন নিয়ে আগামী দিনে ফিলিস্তিনকে আরও কোণঠাসা করে তুলবেন তিনি। নতুন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের মাধ্যমে আরও বাড়ানো হবে ইসরায়েলের মানচিত্র।

 

/এমপি/

লাইভ

টপ