বন্যার ঝুঁকিতে ৪ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি: গবেষণা

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ০২:১৫, অক্টোবর ৩০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:১৭, অক্টোবর ৩০, ২০১৯

গ্রিন হাউস কার্বন নিঃসরণ কমানো না গেলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের চার কোটি বিশ লাখ মানুষ প্রতি বছর বন্যার ঝুঁকিতে থাকবেন। যা আগের পূর্বাভাসের চেয়ে আটগুণ বেশি। মঙ্গলবার প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় এই আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এই সময়ের মধ্যে বিশ্বের ৩০ কোটি মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে থাকবে। যা পূর্বের গবেষণার চেয়ে তিনগুণ বেশি। আগের গবেষণায় ৮ কোটি মানুষ বন্যার ঝুঁকিতে থাকবেন বলে দাবি করা হয়েছিল।

গবেষণাটি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনজিও ক্লাইমেট সেন্ট্রাল। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, কোস্টালডিইএম নামের নতুন একটি ডিজিটাল উচ্চতা মডেলের সাহায্যে এই গবেষণা সম্পন্ন করা হয়েছে।

ক্লাইমেট সেন্ট্রালের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ এই শতাব্দীর মাঝামাঝিতে বছরে অন্তত একবার লবণাক্ত পানির বন্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে উপকূলীয় বন্যার উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশ বন্যার ঝুঁকিতে পড়বে।

প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশ, ভারত, চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে প্রতি বছর উপকূলীয় বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে ২৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ। এর আগের এক গবেষণার চেয়ে এই সংখ্যা ১৮ কোটি ৩০ লাখ বেশি।

এতে বলা হয়েছে, পুরো শতাব্দিজুড়ে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে থাকা, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার বিস্তৃতি এবং সাগরে আরও বেশি ভূমি স্থায়ীভাবে হারিয়ে যাবে। ২১০০ সালের মধ্যে ২০ কোটি মানুষের আবাস স্থায়ীভাবে জোয়ারের উচ্চতার সীমার নিচে চলে যাবে। এশিয়ার জন্য খারাপ খবর। বাংলাদেশ, চীন, ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের  ১৫ কোটি ১০ লাখ মানুষের আবাসস্থল পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে।

ক্লাইমেট সেন্ট্রালের বিজ্ঞানী ও প্রতিবেদনটির প্রধান গবেষক স্কট কাল্প বলেন, এই পর্যালোচনায় উঠে এসেছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে শহর, অর্থনীতি, উপকূল ও পুরো বিশ্ব কীভাবে পরিবর্তিত হতে পারে সেটির সম্ভাব্য ধারণা।

 

 

/এএ/

লাইভ

টপ