বন্দিদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা সম্ভব নয়: আরাকান আর্মি

বিদেশ ডেস্ক
৩১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:৫০আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৩:৩৭

রাখাইনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি হুঁশিয়ার করেছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে তাদের হাতে আটক বন্দিদের নিরাপত্তা দেওয়া আর সম্ভব নয়। গোষ্ঠীটির মুখপাত্র খাইং থুকা সংবাদমাধ্যম ইরাবতীকে বলেছেন, সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণে কেবল বন্দিরা নয়, পুরো রাখাইন সম্প্রদায় আক্রান্ত হচ্ছে। গত সপ্তাহে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি’র রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) এক শীর্ষ নেতা রাখাইনে আরাকান আর্মির হাতে বন্দি অবস্থায় নিহত হওয়ার পর এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।

বন্দিদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা সম্ভব নয়: আরাকান আর্মি

গত বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) মিয়ানমারের এক সরকারি এক কর্মকর্তা জানান, আরাকান আর্মির সদস্যরা এনএলডি’র রাখাইনের বুথিডং শাখার চেয়ারম্যান ইয়ে থেইনকে অপহরণের পর হত্যা করেছে। তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির বিবৃতিতে বলা হয়, গত সোমবার বুথিডংয়ের এক ঘাঁটিতে সেনাবাহিনীর হামলায় বন্দি অবস্থায় মারা গেছেন ওই এনএলডি নেতা। তবে ওইদিন বুথিডংয়ে কোনও হামলার কথা অস্বীকার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

এনএলডি নেতা ইয়ে থেইন নিহতের পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে আরাকান আর্মি। সমালোচকদের দাবি, বন্দিদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে গোষ্ঠীটি। ওই বিষয়ে খাইং থুকা বলেন, ‘কেবল বন্দিরা নয় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণের হুমকিতে আছে পুরো রাখাইন সম্প্রদায়।’ এমন অবস্থায় এনএলডি নেতাকে নিয়ে আতঙ্কিত থাকা অন্যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে শতাধিক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে। দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি তথ্য আদানপ্রদানের অভিযোগে শত শত বেসামরিক মানুষকে আটক করেছে।

প্রসঙ্গত, ইতিহাস আর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণসহ রাখাইনে সার্বভৌম কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রশ্নকে সামনে রেখে প্রচারণা চালায় আরাকান আর্মি। রাখাইনে প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যের তথ্য বারবার সামনে আনার মধ্য দিয়ে সেখানকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সচেতন করে তুলছে তারা।

/জেজে/বিএ/
সম্পর্কিত
দিল্লিতে ৬ তলা ভবন ধসে নিহত ২, আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে অভিযান
‘প্রেমিকা দিতে পারে শূন্য শতাংশ সুদ’ বিজ্ঞাপন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক
তিব্বতের বন্যাকবলিত অঞ্চলে সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতি দিলো চীন
সর্বশেষ খবর
র‍্যাব পরিচয়ে জবির সাবেক শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা: নেপথ্যে পারিবারিক বিরোধ?
র‍্যাব পরিচয়ে জবির সাবেক শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা: নেপথ্যে পারিবারিক বিরোধ?
ফিফা সভাপতি পদে আবারও লড়বেন ইনফান্তিনো
ফিফা সভাপতি পদে আবারও লড়বেন ইনফান্তিনো
সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ-বিক্ষোভ, ধাওয়া খেয়ে পালালেন ডিলার ও কৃষি বিভাগের লোকজন
সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ-বিক্ষোভ, ধাওয়া খেয়ে পালালেন ডিলার ও কৃষি বিভাগের লোকজন
গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে আবার যাত্রা শুরু করলো ফ্রিডম ফ্লোটিলা
গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে আবার যাত্রা শুরু করলো ফ্রিডম ফ্লোটিলা
সর্বাধিক পঠিত
আমার দুঃখ হয় শহীদ জিয়াউর রহমানের সন্তানের জন্য: মামুনুল হক
আমার দুঃখ হয় শহীদ জিয়াউর রহমানের সন্তানের জন্য: মামুনুল হক
কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত
কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত
লংমার্চের গাড়িবহরকে লালকার্ড দেখালেন তিনি
লংমার্চের গাড়িবহরকে লালকার্ড দেখালেন তিনি
ডিভোর্স হয়েছে সৃজিত-মিথিলার? ইঙ্গিত দিলেন নির্মাতা নিজেই
ডিভোর্স হয়েছে সৃজিত-মিথিলার? ইঙ্গিত দিলেন নির্মাতা নিজেই
ফোর্বসের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকা থেকে বাদ আজিজ খান
ফোর্বসের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকা থেকে বাদ আজিজ খান