ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত

ইরানে দ্বিতীয় দিনেও জোরদার বিক্ষোভ, দমনে কঠোর সরকার

বিদেশ ডেস্ক
১৩ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:০০আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:৩৬

ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমান ভূপাতিত করার স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর ইরানে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। রবিবার বিক্ষোভ আরও জোরদার হয়েছে। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা প্রতিবাদকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, এই ঘটনায় সরকারের রক্ষণশীল অংশের মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ইরানে দ্বিতীয় দিনেও জোরদার বিক্ষোভ, দমনে কঠোর সরকার

দুর্ঘটনার পর প্রথম তিনদিন ইরান বিমানটি ভূপাতিত করার কথা অস্বীকার করে। যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদেরকেই দায়ী করে আসিছল। কর্তৃপক্ষ দাবি করে, কারিগরি ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানায়। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাস্থল থেকে তারা বেশ কিছু প্রমাণ সরিয়ে ফেলেছে। দেশ ও বিদেশের চাপের মুখে অবশেষে শনিবার ইরান স্বীকার করে, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ইউক্রেনের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ১৭৬ জন যাত্রী নিহত হন। যাদের বেশিরভাগই ইরানি ও ইরানি বংশোদ্ভুত কানাডীয় নাগরিক।

এই স্বীকারোক্তির ঘটনায় আন্তর্জাতিকভাবে খুব বেশি সমালোচনার মুখে না পড়লেও ইরানের জনগণ বিক্ষোভে নেমে পড়েছেন। সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার পর নীরব থাকলেও এবার তারা সরব।

এবারের বিক্ষোভের একটি অংশ সাধারণভাবে সরকার সমর্থক এবং  রক্ষণশীল। আর বিরোধীরা তো রয়েছেন। কট্টরপন্থী দৈনিক পত্রিকার শিরোনামে বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। যিনি বিরল প্রকাশ্য ক্ষমা চেয়েছেন।

বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর তাসনিম বার্তা সংস্থার এডিটর ইন চিফ কিয়ান আব্দোলাহী বলেছেন, যা ঘটেছে তা নিয়ে মিথ্যাচার বিমান ভূপাতিত করার মতোই বিপর্যয়কর। টুইটারে তিনি বলেছেন, যেসব কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে ভুল তথ্য দিয়েছেন তারাও দোষী। জনগণের সামনে আমরা সবাই লজ্জিত।

যদিও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের চলমান বিক্ষোভ শেষ পর্যন্ত ইরানে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকেই শক্তিশালী করবে। এরই মধ্যে তারা বিক্ষোভের জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করা শুরু করেছে। ইরানের কট্টরপন্থীরা দেশের বিক্ষোভের নেপথ্যে সব সময় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে আসছে। 

/এএ/
সম্পর্কিত
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বন্ধু বানাচ্ছে ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্রকে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
সর্বশেষ খবর
রাখাইনে সংঘাত, টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির কড়াকড়ি
রাখাইনে সংঘাত, টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির কড়াকড়ি
১৮ মাসের পরিকল্পনায় কতটা বদলাবে ব্যাংক খাত?
খেলাপির টাকা কি ফেরত আসবে১৮ মাসের পরিকল্পনায় কতটা বদলাবে ব্যাংক খাত?
জেলা-উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কবে, প্রশ্নে যা জানালেন ইসি মাছউদ
জেলা-উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কবে, প্রশ্নে যা জানালেন ইসি মাছউদ
বেসরকারি হাসপাতালের মান তদারকি করতে সিভিল সার্জনদের চিঠি
বেসরকারি হাসপাতালের মান তদারকি করতে সিভিল সার্জনদের চিঠি
সর্বাধিক পঠিত
৪৫০ কোটির সাত তারকা রেস্টহাউস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলো সরকার
৪৫০ কোটির সাত তারকা রেস্টহাউস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলো সরকার
নিজেকে কারাগারে পাঠাতে ইউএনওর কাছে আবেদন, ৫ মাসের কারাদণ্ড
নিজেকে কারাগারে পাঠাতে ইউএনওর কাছে আবেদন, ৫ মাসের কারাদণ্ড
মন্ত্রিত্ব ছাড়ার একমাস পর এলাকায় গিয়ে যা বললেন দীপেন দেওয়ান
মন্ত্রিত্ব ছাড়ার একমাস পর এলাকায় গিয়ে যা বললেন দীপেন দেওয়ান
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
এমপি মনির বক্তব্য ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ
খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ