behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

তাশফিন মালিকের জানা-অজানা

উম্মে রায়হানা।।১৮:১২, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৫

Tashfeenক্যালিফোর্নিয়া হামলায় অভিযুক্ত তাশফিন মালিকের জন্ম পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে। পঁচিশ বছর আগে শিশু অবস্থায় পিতা গুলজারের সঙ্গে সৌদি আরব চলে যান তিনি। সেখানেই তার ধর্মপ্রাণ ও রক্ষণশীল হয়ে বেড়ে ওঠার সূচনা হয় বলে জানান এক পরিজন।

বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার এক সেবাকেন্দ্রে হামলায় অংশ নেন পাকিস্তানে জন্ম নেয়া এই নারী। তারপর থেকেই ২৭ বছর বয়সী তাশফিন মালিক সম্পর্কে কৌতূহল আর জল্পনা কল্পনা শুরু হয় বিশ্ববাসীর মনে। স্বামী সাঈদ রিজওয়ান ফারুক (২৮) এর সঙ্গে ১৪ জনকে হত্যা করে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান তাশফিন। 

নিজেদের শিশুসন্তানকে রেখে এই দম্পতির এমন ধরনের তৎপরতায় অংশগ্রহণ করা পুলিশ থেকে শুরু করে সংবাদকর্মী ও সাধারণ মানুষের মনে বিস্ময় জাগিয়ে তোলে। তাই এই হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ উদঘাটন করে নানা তথ্য।

পাঁচ ছয় বছর বয়সে সৌদি আরব থেকে নিজ দেশ পাকিস্তানে ফিরে যান তাশফিন। সেখানে বাহাউদ্দিন ইউনিভার্সিটি অব মুলতানে ফার্মেসি নিয়ে পড়ালেখা করেন তিনি। যে অঞ্চলে তাশফিন বেড়ে ওঠেন তা আল কায়েদা প্রভাবিত ছিল বলে জানান যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োজিত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হুসাইন হাক্কানি।  

তাশফিনের সঙ্গে ফারুকের বিয়ে হয় সৌদি আরবেই। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে দম্পতি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন তিনি। ফারুকের পিতামাতা ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রান্ট ছিলেন। ফারুকের সঙ্গে তাশফিনের পরিচয়ের সূত্র স্পষ্ট না হলেও পরিবারের দেওয়া তথ্যমতে প্রায় দুই বছর ধরে তারা বিবাহিত।

তবে সৌদি আরব সরকারি সূত্র জানায়, সৌদি আরবে তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনভঙ্গ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের রেকর্ড ছিল না।  

তাশফিনের চাচা জাভেদ রাব্বানি বলেন, “সৌদি আরব থেকে ঘুরে আসার পর আমাদের ভাই অনেক পরিবর্তিত হয়ে যান। আত্মীয়রা তার বাড়ি গেলে ফিরে এসে বলতো, তিনি কেমন রক্ষণশীল আর উগ্রপন্থী হয়ে উঠেছেন।”

যুক্তরাষ্ট্র সরকারি সূত্রে প্রকাশ, তাশফিন এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলামিক স্টেট নেতা আবু বকর আল-বাগদাদির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। যদিও সেই অ্যাকাউন্টটির নাম ভিন্ন ছিল। ফারুকের মত তাশফিনের অনলাইনে উপস্থিতি ততটা দৃশ্যমান না হলেও তদন্ত সূত্রে জানা যায় এর আগে তিনি এক প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি হারান।

হামলার ঘণ্টাখানেক আগে ফারুকের মায়ের কাছে নিজেদের শিশুসন্তাঙ্কে রেখে আসেন এই দম্পতি। মাকে জানান, তাদের চিকিৎসকের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স

/ইউআর/বিএ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ