behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

মিনায় নিহতের সংখ্যা সৌদি ঘোষিত সংখ্যার তিনগুণ

বিদেশ ডেস্ক১৭:৪০, ডিসেম্বর ১০, ২০১৫

Saudi Arabসৌদি আরবের মিনায় পবিত্র হজের সময় ভয়াবহ পদদলনের ঘটনার তিনমাস পর প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৪শ’রও বেশি বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি। আর নতুন এ সংখ্যাটি সৌদি সরকার ঘোষিত মৃতের সংখ্যার তিনগুণ।

১৮০টিরও বেশি দেশের ৩৬ জন কর্মকর্তার বক্তব্য আর রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৪১১ জন বলে দাবি করেছে এপি। অন্যদিকে সৌদি সরকারের দেওয়া সবশেষ হিসেব অনুযায়ী, মিনায় পদদলিতের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৭৬৯। ২৬ সেপ্টেম্বর দেওয়া এ পরিসংখ্যানটি আর পরিবর্তন করেনি সৌদি আরব।

এমনকি সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি প্রেস এজেন্সিও ১৯ অক্টোবরের পর মিনায় পদদলিতের ঘটনার তদন্ত নিয়ে আর কিছু উল্লেখ করেনি। ১৯ অক্টোবর তারা জানিয়েছিল, ‘তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’

মিনায় পদদলনের ঘটনার পর থেকেই আঞ্চলিকভাবে শত্রু দেশ বলে বিবেচিত ইরান ছাড়াও অন্য অনেক দেশের তোপের মুখে পড়ে সৌদি সরকার। ওই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়। চাপের মুখে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিলেও এ নিয়ে জনসমক্ষে সৌদি সরকার কম তথ্যই প্রকাশ করেছে বলে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর থেকেই মৃতের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে আসছিল ইরানি সংবাদ মাধ্যমগুলো।

এপি’র হিসেব অনুযায়ী, মিনায় পদদলিতের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে ইরানের হাজিদের। ওই ঘটনায় নিহত হাজিদের ৪৬৪ জনই ইরানের। এছাড়া মালির ৩০৫ জন; নাইজেরিয়ার ২৭৪ জন; মিসরের ১৯০ জন; বাংলাদেশের ১৩৭ জন; ইন্দোনেশিয়ার ১২৯ জন; ভারতের ১২০ জন; ক্যামেরুনের ১০৩ জন; পাকিস্তানের ১০২ জন; নাইজারের ৯২ জন; সেনেগালের ৬১ জন; ইথিওপিয়ার ৫৩ জন; আইভোরিকোস্ট ৫২ জন; বেনিনের ৫০ জন; আলজেরিয়ার ৪৬ জন; শাদের ৪৩ জন; মরক্কোর ৪২ জন; সুদানের ৩০ জন; তানজানিয়ার ২৫ জন; বুরকিনা ফাসোর ২২ জন; কেনিয়ার ১২ জন; সোমালিয়ার ১০ জন; ঘানা; তিউনিসিয়া এবং তুরস্কের ৭ জন করে; লিবিয়া ও মিয়ানমারের ৬ জন করে; চীনের ৪ জন; আফগানিস্তান, জিবুতি, গাম্বিয়া এবং জর্ডানের ২ জন করে এবং লেবানন, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কায় একজন করে হাজির প্রাণহানির মৃত্যুর খবর জানিয়েছে এপি।

তেল সম্পদ ও ইসলাম ধর্মের পবিত্র স্থানগুলোর অবস্থানের কারণে মুসলিম বিশ্বের ওপর বরাবরই আধিপত্য বজায় রেখে আসছে সৌদি আরব। তবে হজ ব্যবস্থাপনায় অব্যর্থতার জন্য এবার বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়ে দেশটি।

এর আগে ১৯৯০ সালেও হজে বড় ধরনের পদদলনের ঘটনা ঘটেছিল। সেসময় প্রাণ হারান ১৪শ’রও বেশি হাজি।

সূত্র: ডন  

/এফইউ/বিএ/ এএইচ/

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ