behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

বিশ্বের ৮০ শতাংশ সোনার উৎপত্তি ভূমিকম্প থেকে!

বিদেশ ডেস্ক০৩:৪০, জানুয়ারি ০৫, ২০১৬

সোনাভূমিকম্প যেন এক ‘যাদুর স্পর্শ’, যা পানিকে সোনায় রূপান্তরিত করে! বিশ্বের ৮০ শতাংশ সোনার উৎপত্তি ভূমিকম্প থেকেই! এসব বানানো গল্প নয়। ২০১৩ সালের ১৭ মার্চের সংখ্যায় নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাভিত্তিক প্রবন্ধে এমন দাবি করা হয়।
সে সময় হাফিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই গবেষণাভিত্তিক প্রবন্ধে যে মডেল উপস্থাপন করা হয়, তার প্রধান গবেষক ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের ভূ-পদার্থবিদ অধ্যাপক ডিওন ওয়েদারলি। হাফিনটন পোস্টকে তিনি বলেন, তাদের মডেল ভূমিকম্পের সঙ্গে সোনার উৎপত্তির সম্পর্কসূত্র সম্পর্কে একটি পরিমাণগত প্রক্রিয়াকে তুলে ধরেছে।
অধ্যাপক ডিওন ওয়েদারলি হাফিনটন পোস্টকে বলেন, ভূমিকম্পে সাগরতলায় বড় ধরনের চ্যুতির সৃষ্টি হয়। আর এই চ্যুতির ফলে যেসব বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়, তা সঙ্গে সঙ্গে পানি দিয়ে ভরে যায়।  ফাটলগুলো যত বড় হয়, ততই সেগুলো ভূ-অভ্যন্তরের লাভার কাছাকাছি চলে যায়।  তখন ভূপৃষ্ঠের মোটামোটি ১০ কিলোমিটার নিচে অতি উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপের কারণে সিলিকা, কার্বন ডাই-অক্সাইড, ও সোনার মতো মূল্যবান পদার্থ উৎপন্ন হয়।
গবেষণাভিত্তিক ওই প্রবন্ধের সহলেখক অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিচার্ড হেনলি বলেন, বিষয়টা অনেকটা প্রেসার কুকারের লিড তুলে নেয়ার মতো। ভূমিকম্পের সময় পানি বাষ্পে রূপান্তরিত হয় এবং সিলিকা উৎপন্ন করতে থাকে। সেখান থেকে খণিজ স্ফটিক ও সোনা উৎপন্ন হয়।
যুক্তরাজ্যের ইমপেরিয়াল লন্ডন কলেজের একজন ভূ-রসায়নবিদ  জিমি উইলকিনসন। তিনি ওই গবেষণার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। হাফিংটন পোস্টকে তিনি বলেন, বিজ্ঞানীরা আগেই ধারণা করছিলেন স্বর্ণভাণ্ডারের সঙ্গে বহু প্রাচীন চ্যুতির সম্পর্ক রয়েছে, এই গবেষণা সেই ধারণাকে আরও জোরালো করল। সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

/বিএ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ