behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

ট্রাম্পের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে চলতি মাসেই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিতর্ক

বিদেশ ডেস্ক১৭:০৫, জানুয়ারি ০৬, ২০১৬

প্রায় ৫ লাখ ব্রিটিশ নাগরিকের অনলাইন পিটিশিনের ফলে চলতি মাসেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিষয় নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হাউস অব কমন্সে আগামী ১৮ জানুয়ারি এ বিষয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন পার্লামেন্টের মুখপাত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্যারিস ও সান বারনারডিনোতে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলে সারা বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

হাউস অব কমন্সের মুখপাত্র জানান,ট্রাম্পের প্রবেশে পার্লামেন্টের পিটিশন কমিটি অনলাইন পিটিশনের ভিত্তিতে ১৮ জানুয়ারি বিতর্কের দিন ধার্য করেছেন। পার্লামেন্টের সদস্যরা একই সঙ্গে ট্রাম্পের প্রবেশের পক্ষে করা আরেকটি পিটিশনের ওপরও বিতর্ক করবেন। মুখপাত্র জানান,দুটি পিটিশনের জনপ্রিয়তার কারণেই এগুলোর ওপর বিতর্কের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের প্রবেশের পক্ষে পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন মাত্র ৪০ হাজার ব্রিটিশ।

পিটিশন কমিটির সদস্য স্টিভ ডাবল এমপি জানান,তাদের কাছে দুটি আবেদন এসেছে,একটি ট্রাম্পের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে অপরটি তার প্রবেশের পক্ষে। তিনি বলেন, ‘উন্মুক্ত গণতন্ত্রে আমরা কিভাবে এদুটো বিষয় যার সঙ্গে একমত পোষন করি না সে বিষয়ে আলোচনা এটা খুব মজার বিষয় হবে। আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে ট্রাম্পের মতো লোকের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা করা ঠিক না। কিন্তু আমরা যা বিশ্বাস করি তার পক্ষে আমাদের দাঁড়াতে হবে। উন্মুক্ত বিতর্কে ঠিক হবে আমরা কী চাই।

ওয়েস্টমিনিস্টার হলের বিতর্ককে প্রতিকী হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। এ বিতর্কের ফলাফলে সরকারের নীতি পরিবর্তনের কোনও সম্ভাবনা নেই। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী কোনও আবেদনে যদি এক লাখের বেশি মানুষের স্বাক্ষর থাকে তাহলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আলোচনার জন্য গৃহীত হয়। 

ব্লক ডোনাল্ড জে ট্রাম্প ফ্রম ইউকে এন্ট্রি শিরোনামে ওই আবেদনে বলা হয়েছে,বিদ্বেষপূর্ণ উক্তি ও বক্তব্যের জন্য বেশ কয়েকজনের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যে যারাই আসতে চায় তাদের সবার ক্ষেত্রেই একই নীতি প্রয়োগ করা উচিত। আবেদনে আরও বলা হয়েছে,যুক্তরাজ্য যদি দেশের সীমান্তে অনাঙ্ক্ষিত আচরণ বিবেচনায় নেওয়ার নীতি চালিয়ে যায় তাহলে তা গরিব থেকে ধনী,দুর্বল থেকে সবল সবার প্রতি সমানভাবে প্রয়োগ করা উচিত।

ট্রাম্পের মুসলিমবিদ্বেষী উক্তিকে বিরক্তিকর বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকী। তবে চ্যান্সেলর জর্জ অসবর্ন ট্রাম্পের মন্তব্যের জন্য সমালোচনা করলেও যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির বিরোধিতা করেছেন। একই অবস্থান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনেরও। তিনিও ট্রাম্পের এ মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন কিন্তু যুক্তরাজ্যে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছেন।

মুসলিমবিরোধী মন্তব্য করে শুধু বিরোধী দল বা নিজ দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনেও সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের বক্তব্যের নিন্দা জানাচ্ছেন অনেকে। সূত্র: টাইম, বাজফিড, সিএনএন, বিবিসি।

/এএ/বিএ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ