behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

‘রুশ গুপ্তচর হত্যার ব্রিটিশ প্রতিবেদন মস্তিষ্ক বিকৃতির ফলাফল’

বিদেশ ডেস্ক১২:৩৬, জানুয়ারি ২২, ২০১৬

আন্দ্রেই লুগোভোইরাশিয়ার সাবেক গুপ্তচর আলেক্সান্ডার লিটভিনেনকোকে হত্যার ঘটনায় ব্রিটিশ তদন্ত প্রতিবেদনটিকে বানোয়াট উল্লেখ করে তা নাকচ করে দিলেন প্রতিবেদনে অভিযুক্ত সন্দেহভাজন হত্যাকারীদের একজন আন্দ্রেই লুগোভোই। তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যগুলো অনুমানভিত্তিক ও মনগড়া। তদন্ত দলের সভাপতির মস্তিষ্কের বিকৃতি হয়েছে উল্লেখ করেও ক্ষোভ জানান তিনি। একইসঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের জন্য রাশিয়া থেকে নির্বাসিত হয়ে যুক্তরাজ্যে বিচারের মুখোমুখি হওয়াকে অবাস্তব কল্পনা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
একটি হোটেলে গ্রিন টি পানের তিন সপ্তাহের মাথায় ২০০৬ সালের ২৩ নভেম্বর লন্ডনের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন আলেকজান্ডার লিটভিনেনকো। সম্প্রতি ওই হত্যাকাণ্ড নিয়ে স্যার রবার্ট ওয়েনের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রিন টি’র মাধ্যমে লিটভিনেনকোকে বিষ প্রয়োগ করেন দুই ব্যক্তি। রবার্ট ওয়েনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ তদন্ত দলের প্রতিবেদনে দুই রুশ গোয়েন্দা আন্দ্রেই লুগোভোই এবং কোভতুনকে সন্দেহভাজন হত্যাকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। একইসঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডে সম্ভবত এফএসবি প্রধান নিকোলাই পাতরুশেভ এবং প্রেসিডেন্ট পুতিনের সম্মতি ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।
রবার্ট ওয়েনের তদন্ত প্রতিবেদনের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে লুগোভোই বলেন, ‘আমি এ তদন্তের সারমর্মে বানোয়াট তথ্য পাচ্ছি। এখানে নতুন কিছুই পাইনি আমি। এটা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার যে, ঘটনার ১০ বছর পরে এসেও প্রতিবেদনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। যা উপস্থাপিত হয়েছে তার সবই মনগড়া, গুজব। প্রতিবেদনে ‘সম্ভাবনা’ ‘হতে পারে’ এসব শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা দিয়ে বোঝা যায় আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের শক্ত কোনও প্রমাণ নেই।’

যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে রাশিয়ার কাছে ওই দুই সন্দেহভাজনের হস্তান্তর দাবি করা হয়। তবে ওই দাবি নাকচ করে দিয়ে রাশিয়া জানায়, এটা রুশ সংবিধানের পরিপন্থী।

এমন প্রেক্ষাপটে রাশিয়া থেকে নির্বাসনের সম্ভাবনাকে অবাস্তব কল্পনা বলে উড়িয়ে দেন লুগোভোই। তিনি বলেন, ‘চাঁদ পৃথিবীর অংশ হয়ে যেতে পারে কিন্তু রাশিয়া থেকে আমার নির্বাসন অসম্ভব।’ লুগোভোই আরও বলেন, ‘আমি রুশ নাগরিক। রুশ বিচার ব্যবস্থাতেই আমার আস্থা।’

উল্লেখ্য, ২০০০ সালে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান লিটভিনেনকো। সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন তিনি। পরে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব দেওয়া হয় তাকে। মৃত্যুর আগের বছরগুলোতে লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন সাবেক এই গুপ্তচর। সেসময় ক্রেমলিনের প্রতি ভীষণ সমালোচনামুখর ছিলেন তিনি। সূত্র: বিবিসি

/এফইউ/বিএ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ