জার্মানির ইসলামবিরোধী 'পেগিডা’ এবার ব্রিটেনে!

Send
বিদেশ ড্স্কে
প্রকাশিত : ০৮:৪২, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:২৫, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০১৬



জার্মানিতে কিছুদিন আগে বিতর্কিত ইসলামবিরোধী আন্দোলন পেগিডা’র সূচনা হয়েছিল। এবার ব্রিটেনেও এমন আন্দোলন শুরু করার পরিকল্পনা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ার মূল ব্যক্তি হচ্ছেন উগ্র-দক্ষিণপন্থী সংগঠন ইংলিশ ডিফেন্স লিগ (ইডিএল)-এর নেতা টমি রবিনসন। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
আগামী সপ্তাহে ব্রিটেনের বার্মিংহাম শহরে এক সমাবেশ ও প্রতিবাদ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন টমি রবিনসন। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিষয়টি নিয়ে সেখানকার মুসলিমদের মধ্যে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
৩৩ বছরের টমি রবিনসন ব্রিটেনে একজন বিতর্কিত ব্যক্তি। তিনি এর আগে বাড়ি কেনার জন্য ব্যাংক ঋণ নিয়ে জালিয়াতি এবং পাসপোর্ট সংক্রান্ত অপরাধের জন্য জেল খেটেছেন। পরে আবার ইডিএল ছেড়ে কিছুদিন চরমপন্থাবিরোধী সংস্থা কুইলিয়াম ফাউন্ডেশনের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।
অভিবাসন এবং ইসলামের বিরুদ্ধে জার্মানিতে ড্রেসডেন এবং কোলনের মতো শহরগুলোয় পেগিডা যেসব সাপ্তাহিক বিক্ষোভ করে থাকে; তাতে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর হাজার হাজার মানুষ যোগ দিয়ে থাকেন।

এই পেগিডাকে ব্রিটেনে নিয়ে আসার চেষ্টা এর আগেও হয়েছিল তবে তা সাফল্য পায়নি।

ব্রিটেনের অভিবাসনবিরোধী উগ্র দক্ষিণপন্থী সংগঠন ইংলিশ ডিফেন্স লিগের প্রতিষ্ঠাতা টমি রবিনসন মনে করছেন, এই আন্দোলন ব্রিটেনেও মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে আকৃষ্ট করতে পারে।

তার দাবির মধ্যে আছে, ব্রিটেনে মুসলিম অভিবাসন বন্ধ করা, প্রকাশ্যে বোরকা পরা এবং নতুন মসজিদ নির্মাণ নিষিদ্ধ করা।

টমি রবিনসনের প্রতিষ্ঠিত ইংলিশ ডিফেন্স লিগ উচ্ছৃঙ্খল আচরণ এবং মাতলামিপ্রসূত সহিংসতার জন্যে কুখ্যাত হয়ে উঠেছিল। এখন পেগিডা আন্দোলনকে ব্রিটেনে আমদানি করার এই চেষ্টাকে সংশয় ও উৎকণ্ঠার সঙ্গে দেখছেন ব্রিটেনের মুসলিমরা।

বার্মিংহামের একটি ওয়ার্ডের মুসলিম কাউন্সিলর ওয়াসিম জাফর। তিনি চান পেগিডার এই সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হোক। তার ভাষায়, টিম রবিনসন ইসলাম সম্পর্কে তার বিকৃত মত প্রচার করে বর্ণবাদী ঘৃণা ছড়াচ্ছেন এবং সমাজে বিভক্তি সৃষ্টি করছেন।

রবিনসন অবশ্য এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, তিনি মুসলিমবিদ্বেষী নন।

রেসপেক্ট পার্টির সাবেক নেতা সালমা ইয়াকুব বলেন, রবিনসনের মধ্যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। তিনি মুসলিমদের সম্পর্কে যা বলছেন তাতে বরং কেউ কেউ উগ্রপন্থার দিকে আকৃষ্ট হতে পারে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

/এমপি/

লাইভ

টপ