চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট হওয়া হলো না মোরালেসের

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:১৩, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:১৩, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৬

ইভো মোরালেসজনকল্যাণমুখী নানান নীতি আর নতুন ধারার সমাজতন্ত্রের পথ নিয়ে পরপর তিনবার জনগণের রায় পেয়েছিলেন ইভো মোরালেস। তবে বলিভিয়ার সংবিধান অনুযায়ী তিন মেয়াদের বেশি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ নেই কারও। মোরালেস তাই চতুর্থ দফায় নির্বাচন লড়তে সংবিধান পরিবর্তনে গণভোটের আয়োজন করেন। তবে জনগণ বলিভিয়ার এই প্রথম আদিবাসী প্রেসিডেন্টের বিপক্ষেই রায় দিলো।
মঙ্গলবার বলিভিয়ার নির্বাচনি কর্তৃপক্ষ সংবিধানে সংশোধনী আনার প্রশ্নে অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন। গণভোটে সামান্য ব্যবধানে হেরে গেছেন মোরালেস। এর আগে বুথফেরত জরিপেও মোরালেসের পরাজয়ের আভাস মিলেছিল। তাই চতুর্থ দফায় আর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না তিনি।
রবিবার অনুষ্ঠিত গণভোটের প্রায় সবগুলো ভোট গণনা শেষ করে  মঙ্গলবার দেখা গেছে, মোরালেসকে চতুর্থ মেয়াদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনার বিপক্ষে ৫১ শতাংশ ভোট পড়েছে। আর প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ৪৯ শতাংশ।
গণভোটের ফলাফল ঘোষণার পর রাস্তায় নেমে উল্লাস করেন স্যান্টা ক্রুজ শহরের বাসিন্দারা। আতশবাজি ফাটিয়ে উল্লাস করেছেন লাপাজের বাসিন্দারাও। এ দুটো শহরে মোরালেসের বিরোধীর সংখ্যা বেশি।

বলিভিয়ার প্রথম আদিবাসী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০০৬ সালে দায়িত্ব নেন মোরালেস। তার চলতি মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালে। সংবিধান সংশোধনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সমর্থন পেলে তিনি ২০২৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারতেন।

ক্ষমতা হাতে আসার পর মুভমেন্ট টু ওয়ার্ডস সোশ্যালিজমের শীর্ষ নেতা মোরালেস বলিভিয়ায় একের পর এক জনহিতকর নীতি প্রণয়ন করতে শুরু করেন। তবে সম্প্রতি তার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

/এফইউ/বিএ/

লাইভ

টপ