Vision  ad on bangla Tribune

আটকের পর মন্ত্রী হচ্ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট!

বিদেশ ডেস্ক১১:৫২, মার্চ ১৫, ২০১৬

ব্রাজিলে গত কয়েক বছর ধরে পেট্রোব্রাসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং-এর অভিযোগ তদন্ত করছে পুলিশ।

এরপর গত ৯ মার্চ লুলার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ গঠন করেন সাও পাওলোর প্রসিকিউটররা। পরদিন, ১০ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে তার গ্রেফতার দাবি করেন তারা। অর্থপাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লুলাকে ‘আইনি হেফাজতে’ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

প্রসিকিউটররা জানান, গুয়ারুজা রিসোর্টে তিন তলাবিশিষ্ট পেন্টহাউজের মালিকানা প্রমাণে ব্যর্থ হন লুলা। তবে লুলা তার ওপর আরোপ করা সব অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মন্তব্য করেছেন।

প্রসিকিউটররা বলছেন, তদন্ত চলাকালে লুলা দা সিলভা বাধা দিতে পারেন, তাই তাকে গ্রেফতার করা দরকার।

প্রধান প্রসিকিউটর ক্যাসিও কনসেরিনো বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় তদন্ত প্রধানত পরিচালিত হবে ওই বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের মালিকানা নির্ধারণের জন্য।’ তবে আদালত এখনও তার গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানননি।

লুলার আইনজীবী ক্রিস্টিনো জানিন মার্টিনস জানান, সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ‘মিডিয়া ক্যাম্পেইন’ চলছে। তিনি বলেন, ‘যার নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে, তিনিই ওই সম্পত্তির মালিক। এখানে কেউ এ নিয়ে অন্য কিছু মনে করলে কিছু যায় আসে না।’

তিনি আরও জানান, লুলা ওই প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছেন, অসম্পূর্ণ অ্যাপার্টমেন্টেও গিয়েছেন। কিন্তু পরে সম্পত্তিটি না নিয়ে অর্থ ফেরত চেয়েছিলেন।

এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসিকিউটররা জানান, সিলভা আর তার স্ত্রীসহ অন্তত ১৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করা হচ্ছে। ওই তালিকায় সিলভার ছেলের নামও রয়েছে।

লাইভ

টপ