'মানুষের যৌনতার ইতিহাস ধারণার চেয়েও দুঃসাহসিক'

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৩:৫২, মার্চ ১৯, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:০৬, মার্চ ২০, ২০১৬

গবেষণায় জানা গেছে, মেলানেসিয়ার প্রত্যন্ত দ্বীপের মানুষরাই ডেনিসোভানস মানুষের জিন ধারণ করছেন। এই মেলানেসিয়ানদের অধিকাংশ মানুষের মতোই জেনেটিক পূর্ব প্রজন্ম নিয়নডার্থাল।

যৌনতার ইতিহাসকে দুঃসাহসিক হিসেবে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ গত দশকে ডেনিসোভিয়ানদের অস্তিত্ব আবিষ্কৃত হয়। ধারণা করা হতো হাতের আঙ্গুলের মতো ছোট হাড় ও দুটি দাঁতের মানুষ ছিল তারা। বাস করত উত্তর সার্বেরিয়ার গুহায়। আর শক্তসামর্থ্য বৃহদাকারের নিয়নডার্থাল মানুষেরা সাড়ে তিনলাখ বছর আগে ইউরোপ ও এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। ৪০ হাজার বছর আগে এ মানব প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যায়।

ডেনিসোভিয়ান সম্পর্কে এর বেশি বিশেষ কিছু এখনও জানা যায়নি। যেটুকু জানা গেছে, তাতে সাইবেরিয়ার উত্তরাঞ্চলেই ডেনিসোভানরা বসবাস করত। কিন্তু তাদের জিন পাওয়া গেছে অনেক দূরে বসবাসকারী মেলানেসিয়ার মানুষের মধ্যে। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, ডেনিসোভানদের এশিয়ার বৃহৎ অঞ্চলজুড়ে অবস্থান ছিল।

গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের জিনবিদ জশুয়া আকেই জানান, এ বিলুপ্ত মানবপ্রজাতির জিনে মানুষের জন্য বেশ কিছু উপকারী উপাদান পেয়েছেন গবেষকরা। এদের মধ্যে আছে প্রতিরোধক ব্যবস্থা যা জীবাণুর বিরুদ্ধে অনেক বেশি কার্যকর। এছাড়া বেশ কিছু উপাদান চামড়া ও চুলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিংহামটন ইউনিভার্সিটির আণবিক নৃতত্ত্ববিদ ড. অ্যান্ড্রিই মেরিওয়েদার জানান, গবেষকরা মানুষের জিনে চতুর্থ আরেকটি প্রজাতির অস্তিত্ব পেয়েছেন। যাদের সম্পর্কে মানুষের কোনও ধারণাই নেই। তিনি বলেন, এতে প্রমাণ হয় যে, অন্তত চারটি প্রজাতির মানুষের অস্তিত্ব ছিল। তারা একই সময়ে বেঁচে ছিল। প্রায় ১ লাখ বছর আগে এসব প্রজাতির মানুষের মধ্যে সংকর প্রজনন হয়। দশ বছর আগেও মানুষ যা চিন্তা করতে পারত না। সূত্র: রয়টার্স।

/এএ/

লাইভ

টপ