বাংলাদেশ ব্যাংকে সাইবার ডাকাতিঅনির্দিষ্টকালের ছুটিতে ফিলিপাইনের সেই ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৫:১৩, মার্চ ২৪, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:১৩, মার্চ ২৪, ২০১৬

লরেঞ্জো তানযুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার পাচার হওয়ার ঘটনার পর রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) প্রেসিডেন্ট ও সিইও লরেঞ্জো তান ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে অনির্দিষ্টকালের ছুটি নিয়েছেন। বুধবার আরসিবিসি বোর্ডের এক সভায় তানের ওই ছুটি মঞ্জুর করা হয়। আরসিবিসি-র এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অর্থপাচারের অভিযোগে তার নাম আসায় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য তান তদন্ত চলাকালীন সময়ে ছুটির আবেদন করেছেন।’
এক পৃথক বিবৃতিতে তানের আইনজীবী ফ্রান্সিস লিম বলেন, ‘চলতি সপ্তাহের প্রথমদিকে, আমার মক্কেল আরসিবিসি বোর্ডের কাছে আবারও তাকে ছুটিতে যাওয়ার অনুমতি দিতে অনুরোধ করেছেন। চলমান তদন্তে তার পক্ষ থেকে কোনও হস্তক্ষেপ করা হয়েছে, এমন অভিযোগ যেন না আসে, এজন্যই তিনি ছুটির আবেদন করেছেন। এর ফলে তার বিরুদ্ধে করা ভিত্তিহীন ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব দেওয়ার সুযোগটুকুও তিনি পাবেন।’
এর আগে রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের মাকাতি সিটির জুপিটার ব্রাঞ্চের ম্যানেজার মাইয়া সান্তোস দিগুইতোর আইনজীবী অভিযোগ করেছিলেন, তানকে সিইও রেখে স্বাধীন অভ্যন্তরীণ তদন্ত সম্ভব নয়। আর দিগুইতো বলেছিলেন, লরেঞ্জো তানের নির্দেশেই তিনি অর্থ উত্তোলনের ব্যবস্থা করেছিলেন। আবার আরেক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ওই অর্থপাচারের ঘটনার সন্দেহভাজন কিম অং ব্যাংক প্রেসিডেন্ট লরেঞ্জো তানের বন্ধু। কিম অং-এর সুপারিশক্রমে দিগুইতো ওই চার সন্দেহভাজন – মাইকেল ফ্রান্সিসকো ক্রুজ, জেসি ক্রিস্টোফার লাগরোসাস, এনরিকো তেওদোরো ভাসকুয়েজ এবং আলফ্রেড সান্তোস ভারগারাকে অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেন। ব্যবসায়ী উইলিয়াম সো গোর অ্যাকাউন্টের রেফারেন্স হিসেবেও ছিলেন কিম অং। ওই অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমেই ৮১ মিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়।

হ্যাকিং

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ওই অ্যাকাউন্টগুলোতে আর কোনও লেনদেন হয়নি। ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম হ্যাকড করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকাররা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ চুরি করে ওই অ্যাকাউন্টগুলোতে স্থানান্তর করে। সেখান থেকে ওই অর্থ ফিলিপিনো পেসোতে রূপান্তরের পর দুটি ক্যাসিনোতে পাঠানো হয়। সূত্র: ইনকোয়ারার।  

/এসএ/বিএ/

লাইভ

টপ