Vision  ad on bangla Tribune

দক্ষিণ কোরিয়া প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলার মহড়া উত্তর কোরিয়ার

বিদেশ ডেস্ক১৬:২৯, মার্চ ২৫, ২০১৬

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবনে সামরিক হামলার মহড়া চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের উপস্থিতিতে ওই মহড়াটি চালানো হয়। এ সময়ে কিম সেনাবাহিনীকে দক্ষিণের সরকারকে উৎখাত করতে তৈরি থাকতে নির্দেশ দেন।

কেসিএনএ-এর খবরে বলা হয়, ‘বোমাগুলো বজ্রপাতের মতো দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের অফিসিয়াল বাসভবন এবং অন্যান্য স্থাপনার প্রতিরূপে আঘাত করে।’ তবে ওই মহড়াটি কবে চালানো হয়, সে সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবনটি ‘ব্লু হাউজ’ নামে পরিচিত।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের অফিস ও বাসভবন

ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন-হাই দেশটির সেনাবাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘এ ধরণের বেপরোয়া প্ররোচণা উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীনদের এক আত্মবিনাশী পথে নিয়ে যাচ্ছে।’

উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক পারমাণবিক ও মিসাইল পরীক্ষার বিপরীতে দেশটির ওপর বেশ কয়েক দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘ। আর এর ফলে উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি বেশ কিছু আগ্রাসী বক্তব্য প্রদান করেছে। যা কোরিয়া উপদ্বীপের অস্থিরতাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। কয়েকদিন আগে উত্তর কোরিয়া সরকারের এবং কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির কিছু নির্দিষ্ট লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু বোমা পরীক্ষার বিপরীতে ২ মার্চ নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে উত্তর কোরিয়ার ওপর এক কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওই নিষেধাজ্ঞায় প্রথমবারের মতো উত্তর কোরিয়ায় যাওয়া বা দেশটি থেকে আসা সব কার্গো জাতিসংঘের সদস্য দেশ কর্তৃক তল্লাশি করার বিধান রাখা হয়। সেই সাথে নতুন করে ১৬ জন ব্যক্তি এবং ১২টি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। এছাড়া উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপ করা চলমান অস্ত্র নিষেধাজ্ঞাকে বিস্তৃত করে দেশটির কাছে ক্ষুদ্র আকারের অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।   

উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালে উত্তর কোরিয়ার কমান্ডোরা ‘ব্লু হাউজ’-এ হামলা চালিয়েছিলেন। তবে সে যাত্রায় তৎকালীন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক চুং-হিকে হত্যা পরিকল্পনা সফল হয়নি। ওই সংঘর্ষে সাত দক্ষিণ কোরীয় নাগরিক এবং উত্তর কোরিয়ার ৩১ হামলাকারীর সবাই নিহত হয়েছিলেন। সূত্র: বিবিসি।  

/এসএ/

লাইভ

টপ