behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

দেশে দেশে প্যারিস ও ব্রাসেলস হামলার ৮ সন্দেহভাজনের খোঁজ

বিদেশ ডেস্ক১৬:১১, মার্চ ২৮, ২০১৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থাররত প্যারিস ও ব্রাসেলসে সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ৮ সন্দেহভাজনকে খুঁজছে ইউরোপীয় নিরাপত্তা বিভাগ। সন্দেহভাজনদের নামের একটি তালিকাসহ একটি ১১ পৃষ্ঠার নিরাপত্তা বুলেটিন ইউরোপের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হয় ব্রাসেলস হামলার পরদিন। ওই ৮ সন্দেহভাজনের মধ্যে দুইজনের নাম জানতে পেরেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। তারা হলেন নাইম আল হামেদ ও ইয়োনি প্যাট্রিক মায়ান। সিএনএন বলছে, সন্দেহভাজনদের মধ্যে একজন বাদে সবারই আব্দেলহামিদ আবাউদ অথবা সালাহ আব্দেসলামের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওই নিরাপত্তা বুলেটিনে ইসলামিক স্টেটের ভৌগলিক অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। সন্দেহভাজনদের মধ্যে তিনজন যথাক্রমে নেদারল্যান্ডস, জার্মানি ও সুইডেনে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আব্দেলহামিদ আবাউদের নেটওয়ার্ক

ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা ইসলামিক স্টেট হামলার ষড়যন্ত্রকারীদের কেন্দ্রে রয়েছেন আবাউদ। এর আগে ২০১৫ সালের জুন মাসে নিকোলাস মরিউ নামের এক ব্যক্তি ইসলামিক স্টেটে যোগ আগ্রহী সন্দেহে তাকে তুরস্ক থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি জানান, আবাউদের সঙ্গে যোগাযোগ করেই তিনি আইএসে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। ফরাসি পুলিশের দলিলপত্র থেকেও জানা যায়, আদাউদ ইউরোপ আক্রমণের জন্য বিভিন্ন সময় পরিকল্পনা করেছেন ও ছক কষেছেন।
এ ছাড়াও জেরকানি নেটওয়ার্কের আরেক সদস্য রেদা রিকেটের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে আবাউদের। ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারনারড ক্যাসেনিউভ অভিযোগ করেন, রেদা রিকেট এক হামলা পরিকল্পনার চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিলেন।

যে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে রিকেটকে গ্রেফতার করা হয় সেখান থেকে ২ কেজি উচ্চ মাত্রার বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ।

একই তদন্তে বের হয়ে আসে আরেক ব্যক্তির নাম। আনিস বি নামের ওই ফরাসি নাগরিকও হামলা পরিকল্পনার দায়ে অভিযুক্ত হন। আনিস ছাড়াও ২০১৪ সালের জানিয়ারিতে মাহদি নমৌচি নামের আরেক সন্দেহভাজনের সঙ্গে আবাউদের ফোনালাপের প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। 

৮ সন্দেহভাজনের দুইজন নাইম ও মায়ান

সিরিয়ার নাগরিক নাইম আল হামেদ মনির আহমেদ আলাজ নামের আরেক ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে সেপ্টেম্বরে সিরিয়া থেকে ইউরোপ যাত্রা করেন। আলাজ নামের ওই ব্যক্তি ১৮ মার্চ মলেনবিক থেকে গ্রেফতার হন। ইয়োনি আগে ব্রাসেলসের একটি ভিডিওর দোকানে কাজ করতেন। আবাউদের সঙ্গে ২০১৪ সাল থেকেই তার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আবাউদ ও মায়ান উভয়েই খালিদ আল জেরকানির আফগান ভিত্তিক জিহাদি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পাপা নোয়েল নামে পরিচিত জেরকানিকে বেলজিয়ামের এক আদালত ১২ বছরের কারাদণ্ড দেয়।

বেলজিয়ামের নিরাপত্তা বিশ্লেষক পিটার ভ্যান অস্তিয়ান জানান, মায়ান প্রথমবার সিরিয়া যান ২০১৩ সালের এপ্রিলে। সে সময় ফিরে আসলেও পরের বছর আবার সিরিয়া যান তিনি। তবে তার বর্তমান অবস্থান এখনও নিশ্চিত নয়।

গোপন যোগাযোগ

ইসলামিক স্টেটের সদস্য সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ ও বোমা বানানোর কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে ইউরোপ। এর আগে প্যারিসের এক কনসার্ট হলে মানুষকে জিম্মি করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করায় এক শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়। রেদা হেম নামের ওই শিক্ষার্থী জানান, তিনি আবাউদের কাছ থেকেই প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র পেয়েছেন। রেদা আরও জানান, ইসলামিক স্টেটের বিস্তৃত ও সাংকেতিক যোগাযোগব্যবস্থা রয়েছে। এই ব্যবস্থায় তারা ইউরোপে সহজেই যোগাযোগ করতে পারে। রেদা বলেন, তিনি সফটওয়ারের সাহায্যে সেই সাংকেতিক বার্তাগুলোর অর্থ উদ্ধার করতে শিখেছেন। সূত্র সিএনএন

/ইউআর/বিএ/   

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ