behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

লাহোরে রক্তক্ষয়ী হামলাপাঞ্জাবে ‘সর্বাত্মক’ অভিযানের অনুমতি পেলো সেনাবাহিনী

বিদেশ ডেস্ক২১:১৩, মার্চ ২৮, ২০১৬

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে পার্কে রক্তক্ষয়ী হামলার পর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নামছে দেশটির সেনাবাহিনী। সোমবার সেনাপ্রধান রাহিল শরীফ প্রদেশটিতে ‘সর্বাত্মক’ সেনা অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন।

সেনাবাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, সেনা সদস্যের পাশাপাশি আধা সামরিক বাহিনী রেঞ্জার্সের সদস্যরাও ওই অভিযানে অংশ নেবে।  তবে কবে এ অভিযান শুরু হবে সে ব্যপারে স্পষ্ট করে কিছু বলা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে সোমবার রাত থেকে শুরু হতে পারে ওই অভিযান।

লাহোরে হামলাস্থলে তদন্ত করছেন কর্মকর্তারা

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মিডিয়া বিভাগের বরাত দিয়ে সোমবার ডন জানিয়েছে, লাহোরের আল্লামা ইকবাল এলাকার গুলশান-ই-ইকবাল পার্কে রবিবারের বোমা বিস্ফোরণের পর সন্দেহভাজন হামলাকারীদের ধরতে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী ও রেঞ্জার্স সদস্যরা।

সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) ডিজি অসীম বাজওয়া সোমবার টুইটারে জানিয়েছেন, লাহোরে আত্মঘাতী হামলার পর লাহোর, ফায়সালাবাদ, মুলতানে পাঁচটি অভিযানে বেশ কিছু সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী ও হামলার সহায়তাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় প্রচুর গোলাবারুদ ও অস্ত্র-সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

লাহোরে হামলার পর জেনারেল রাহিল শরীফের সভাপতিত্বে সেনাবাহিনীর উচ্চ-পর্যায়ের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় দেশটির সেনা হেডকোয়ার্টারে। সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে কোনও ধরনের ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় ওই বৈঠকে।

সোমবার হাসপাতালে বোমা হামলায় আহতদের দেখতে যান দেশটির প্রধানমন্ত্র নওয়াজ শরিফ। এরপর তিনি নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠকে বলেন, সন্ত্রাসবাদকে পরাজিত করতেই হবে। আমাদের দেশ ও সরকার শক্তিশালী হচ্ছে। ফলে শত্রুরা কাপুরোষিতভাবে নিরাপরাধ মানুষদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।

শরিফ আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা আবারও হামলার করার আগেই নিরাপত্তারক্ষীদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার করতে হবে। আমি চাই আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বিত অভিযান। প্রদেশগুলোকে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।

এদিকে, দেশটির পুলিশ আত্মঘাতী হামলাকারীকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। হামলাকারীর নাম ইউসুফ।  তিনি মুজাফফারনগরের বাসিন্দা।

পাকিস্তানের পুলিশ ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (অপারেশন) ড. হায়দার আশরাফ জানিয়েছে, হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ জনে। আহত হয়েছেন তিন শতাধিক, যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ডনের খবরে বলা হয়েছে, রবিবার খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উদযাপন উপলক্ষে খ্রিস্টান-ধর্মাবলম্বীরা পরিবার নিয়ে ওই পার্কে সময় কাটানোর সময় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান থেকে বের হয়ে আসা জামাত-উল- আহরার এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।  সূত্র: ডন।

/এএ/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ