behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

মিসরীয় বিমান ছিনতাইয়ের কারণ নিয়ে রহস্য

বিদেশ ডেস্ক১৮:২৭, মার্চ ২৯, ২০১৬

মিসরের বিমান ছিনতাইকারীর আসল নাম কী? ছিনতাইয়ের নেপথ্যে প্রেম নাকি সন্ত্রাসবাদ? ছিনতাইকারী কি সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছেন নাকি রাজনৈতিক দাবি জানিয়েছেন? এসব নিয়ে পরস্পরবিরোধী মন্তব্য এবং সংবাদমাধ্যমে আসা বিভিন্ন রকমের তথ্যের প্রেক্ষাপটে বিমান ছিনতাইয়ের কারণ নিয়ে রহস্য তৈরী হয়েছে। শুরুতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে ‘ছিনতাইকারী’ সাবেক স্ত্রীকে চিঠি পৌঁছে দেওয়ার ব্যক্তিগত দাবি পূরণের শর্ত দিয়েছেন বলে জানানো হলেও পরে জানা যায়, ওই ‘ছিনতাইকারী’ রাজনৈতিক দাবি জানিয়েছিলেন। এদিকে মিসর কর্তৃপক্ষ শুরুতে সন্ত্রাসবাদের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে বলে গার্ডিয়ানের খবরে জানানো হলেও পরে দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের তরফে তা অস্বীকার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার মিসরের স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ইজিপ্ট এয়ারের বিমানটি আলেকজান্দ্রিয়া থেকে ৬২ জন আরোহী নিয়ে উড্ডয়ন করে। এর কিছু সময় পরই এটি ছিনতাইয়ের শিকার হয় বলে এয়ারলাইন্সটির এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেন। পরে বিমানটি সাইপ্রাসে জরুরি অবতরণে বাধ্য করা হয়। পাইলট দাবি করেছেন, ‘ছিনতাইকারী’ তার গায়ে বিস্ফোরক বেল্ট রয়েছে বলে হুমকি দিয়ে বিমানটি সাইপ্রাসে অবতরণ করাতে বাধ্য করেন।


ছিনতাইকারীর নাম নিয়ে সংশয় 

ছিনতাইকারীর পরিচয় নিয়ে দুই ধাপে দুই ধরনের তথ্য এসেছে সংবাদমাধ্যমে। মিসরের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ‘ছিনতাইকারী’কে ইবরাহিম সামাহা হিসেবে শনাক্ত করা হলেও পরে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ দাবি করে, তার নাম সাইফ এলদিন মুস্তফা। সাইপ্রাসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে বলা হয়, আগে যে নামটি উল্লেখ করা হয়েছিল সেটি অন্য এক যাত্রীর নাম।

 

ছিনতাইয়ের নেপথ্যে প্রেম নাকি সন্ত্রাসবাদ

ঘটনার পর সাইপ্রাসের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ছিনতাইয়ের পেছনে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানকে উদ্ধৃত করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ওই ছিনতাইকারী একটি চিঠি ছুঁড়ে দিয়েছেন। সেটি আরবি ভাষায় লেখা। সেটি তিনি তার সাবেক স্ত্রীকে দিতে বলেছেন।  ওই সময় আরও বলা হয়, ছিনতাইকারীর সাবেক স্ত্রী সাইপ্রাসে থাকেন। বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় সাইপ্রাসে আশ্রয় দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ছিনতাইকারী। সেই সঙ্গে তার দাবি উপস্থাপনে সুবিধার জন্য একজন অনুবাদকও চেয়েছেন তিনি। খবরটি নিশ্চিত করে সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, এ ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যই কাজ করেছে। ‘প্রত্যেকটা ঘটনার পেছনে নারী রয়েছে’ উল্লেখ করে খানিক কৌতুকও করেন তিনি।

 

সে সময় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে জানানো হয়, মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে  ‘ছিনতাইকারী সন্ত্রাসবাদী নন, তিনি নির্বোধ’ বলে মন্তব্য করা হয়েছে। তবে সে খবরটিকে এখন অতিরঞ্জিত উল্লেখ করে মিসরের পররাষ্ট্র দফতর তা নাকচ করে দিয়েছে। তারা এমন কোনও অফিশিয়াল মন্তব্য করেননি বলে দাবি করেছেন।

 

ব্যক্তিগত নাকি রাজনৈতিক দাবি

শুরুতে কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছিল, স্ত্রীর কাছে চিঠি পৌঁছে দেওয়া এবং সাইপ্রাসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করাই ছিলো ছিনতাইকারীর দাবি। তবে পরবর্তীতে রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ছিনতাইকারী মিসরের কিছু নারী রাজনৈতিক-বন্দীর মুক্তি দাবি করেছেন। সূত্র: গার্ডিয়ান, বিবিসি

/এফইউ/বিএ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ