Vision  ad on bangla Tribune

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার

বিদেশ ডেস্ক২০:০১, মার্চ ২৯, ২০১৬

মিয়ানমারে  রোহিঙ্গা মুসলমান অধ্যুষিত রাখাইন রাজ্যে আরোপ করা জরুরি অবস্থা তুলে নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট থেইন সেইন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি খবরটি নিশ্চিত করেছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী

উল্লেখ্য, একজন বৌদ্ধ নারীর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা থেকে ২০১২ সালের ওই দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছিল। ২০১২ সালে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় ওই রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ এবং সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। জরুরি অবস্থা চলাকালে দুই শতাধিক মানুষ নিহত হন। গৃহহারা হন প্রায় এক লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ। এদের বেশিরভাগই রোহিঙ্গা মুসলিম।

গৃহহারা ওই মানুষদের অনেকেই ঘরে ফিরতে পারেনি। তাদের মৌলিক অধিকার বঞ্চিত অবস্থায় শরণার্থী শিবিরে দিন কাটাতে হচ্ছে। এদিকে প্রেসিডেন্ট থেইন সেইন ক্ষমতা থেকে বিদায় নিচ্ছেন বুধবার। তার ক্ষমতা ছেড়ে দেবার আগে এটি হচ্ছে তার শেষ পদক্ষেপগুলোর অন্যতম।

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য

প্রেসিডেন্টের ঘোষণায় বলা হয়, রাখাইন রাজ্য সরকারের মতে এখন সেখানকার জনগণের জীবনের প্রতি কোন হুমকি নেই। জরুরি অবস্থার উঠে গেলে রাখাইন রাজ্যে সামরিক বাহিনীকে আর প্রতিদিনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে না। তবে বিবিসির প্রতিবেদক বলছেন, জরুরি অবস্থা উঠে গেলেও তা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনে কি পরিবর্তন আনবে তা স্পষ্ট নয়।

রাখাইন রাজ্যের এই রোহিঙ্গা মুসলিমদের বার্মায় পূর্ণ নাগরিকত্ব দেয়া হয় না, কারণ তাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী বলে মনে করা হয়। দেশটিতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদের কারণে তাদের আরও বেশি বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে। জাতিসংঘও ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিপীড়িত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করেছে। সূত্র: বিবিসি

/বিএ/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ