behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

সিনেট শুনানিতে বাংলাদেশকে অর্থ ফেরত দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ

বিদেশ ডেস্ক১৫:৪৭, এপ্রিল ০২, ২০১৬

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরির ঘটনায় ইতোমধ্যেই ওই অর্থের একাংশ ফেরত দিয়েছেন চীনা বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী কিম অং। চুরি যাওয়া ৱবাকি টাকাও বাংলাদেশকে ফেরত দিতে ফিলিপাইনের মানি এক্সচেঞ্জ ডিলার ফিলরেম সার্ভিসেস ইনকরপোরেটেড এবং ক্যাসিনোগুলোকেও আহ্বান জানিয়েছে ফিলিপাইনের ব্লু রিবন সিনেট কমিটি। শুক্রবার এই আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, তা না হলে ফিলিপাইনের প্রতি আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা যাবে না। 

সিনেট শুনানিতে কিম অং

সিনেটর বাম অ্যাকিনো বলেন, ‘আমাদের অন্যান্য ক্যাসিনো এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জোর দিতে হবে যেন তাদের কাছে যাওয়া অর্থ তারা ফেরত দেন। কারণ এটাই সঠিক পথ।’

চুরি যাওয়া অর্থের একটা অংশ গিয়েছিল চীনা বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী কিম অং-এর কাছে। ফিলিপাইনের অর্থপাচার নিয়ন্ত্রক সংস্থা অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) কাছে তিনি প্রায় ৪.৬ মিলিয়ন ডলার জমা দিয়েছেন। অং সিনেট শুনানিতে অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তবে সাইবার ডাকাতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তিনি শুনানিতে আরও দুই ব্যক্তির পরিচয়ও দেন, যারা তাকে ওই অর্থ সম্পর্কে জানিয়েছিল।

সিনেটর অ্যাকিনো বলেন, ‘কিম অং-এর ৪.৬ মিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়াটা কেবলমাত্র প্রথম পদক্ষেপ।’ তিনি অং-এর মতো অন্যদেরও অর্থ ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে আগের শুনানিতে অ্যাকিনো উল্লেখ করেছিলেন, কিম অং ৪.৬ মিলিয়নেরও অনেক বেশি অর্থ গ্রহণ করেছেন।

সিনেটর বাম অ্যাকিনো

সিনেটর রালফ রেকটো বলেন যে, এবার ফিলরেমের পালা, তারা ক্যাসিনোতে অর্থ স্থানান্তর করেছিল। ওই ৮১ মিলিয়ন ডলার থেকে তাদের কাছে যতোটুকু রয়েছে তা এএমএলসি-র কাছে ফেরত দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘তাদের পক্ষে যতোটুকু সম্ভব ততোটুকু ফেরত দেওয়া উচিত, যা আমরা বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে পারব।’

সিনেটর তেওফিস্তো গুইনগোনা বলেন, ‘এটা পরিস্কার যে, আমরা আরও বেশি অর্থ পুনরুদ্ধার করতে পারি, যেন তা বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যায়। আর এর মধ্য দিয়ে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে পারবো।’ ফিলিপাইনের ব্যুরো অব ইন্টারনাল রেভিনিউ (বিআইআর)-এর কমিশনার কিম হেনারেস বলেছেন, ‘আমরা ওই চুরিতে জড়িত সবার খোঁজ করছি।’

এর আগে এএমএলসি জানিয়েছিল, ফিলরেম ২৮.৭ মিলিয়ন ডলার সোলেয়ার রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোতে পাঠায়, যা পরে জুর কাছে স্থানান্তরিত হয়। অভিযোগমতে, ব্যবসায়ী জুর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন লিজার কোম্পানি এবং ফিলিপাইন ন্যাশনাল ব্যাংকের (পিএনবি) ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ১ বিলিয়ন পেসো বা ২১.৬ মিলিয়ন ডলার পৌঁছায় ওয়েকাং জুর কাছে। এর আগে এএমএলসি একই ধরনের অভিযোগ দায়ের করেছিল দিগুইতো এবং ওই চার ব্যক্তির নামে, যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি যাওয়া অর্থ উত্তোলন করা হয়। এএমএলসি জানিয়েছে, তারা জু-এর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ উঠিয়ে নেবে না। সূত্র: ইনকোয়ারার।

/এসএ/বিএ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ