behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড আর শিরশ্ছেদের রেকর্ড

বিদেশ ডেস্ক২৩:০২, এপ্রিল ০২, ২০১৬

সৌদি আরবে চলতি বছর এ পর্যন্ত ৮২ জনকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে গত বছরের চেয়ে চলতি বছর শিরশ্ছেদের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে। ২ এপ্রিল শনিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র ব্রিটেন শিরশ্ছেদ বেড়ে যাওয়া উদ্বেগ প্রকাশ করে তা কমিয়ে আনতে চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটিতে প্রতিবছরই শিরশ্ছেদের মাত্রা বেড়ে চলেছে। ২০১৪ সালে শিরশ্ছেদের এ সংখ্যা ছিল ৮৮ জন। ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫৮ জনে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, ২০১৬ সালের প্রথম তিন মাসে যে পরিমাণ শিরশ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে তা বছর শেষে ৩২০ জনেরও বেশি হতে পারে। সৌদি সরকারের অফিসিয়াল বিবৃতি এবং স্থানীয় নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে শিরশ্ছেদকৃত মানুষের এ তালিকা তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা রিপ্রিভ।

চলতি সপ্তাহেই ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল ফ্যালন সৌদি আরব সফর করেন। দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করাই ছিল তার এ সফরের লক্ষ্য। সফরকালে তিনি সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফ বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার নির্দেশেই সৌদিতে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরের দুই দিনের মাথায় অন্তত চারজনের শিরশ্ছেদ করা হয়।

ওই সফরে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ দেশটির রাজপরিবারের প্রভাবশালী সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এ সময় তিনি দায়েশের (আইএস) দর্শন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার হুমকি মোকাবেলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

২ জানুয়ারি ২০১৬ সৌদি কর্তৃপক্ষ ৪৭ জনের শিরশ্ছেদ করে। শিরশ্ছেদকৃতদের মধ্যে প্রখ্যাত শিয়া নেতা শেখ নিমরও রয়েছেন। ওই ঘটনা তখন নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। নিমর ছিলেন শান্তিপূর্ণ সংস্কারের একজন অব্যাহত প্রবক্তা। তিনি সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের। তিনি অবশ্য সমালোচক ছিলেন সৌদি শাসকশ্রেণীর। কিন্তু কোনো সন্ত্রাসী কাজে জড়িত থাকার কোনো রেকর্ড তার ছিল না।

এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৪০টি দেশ তাদের আইন ও অনুশীলনে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছে। অপরদিকে সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত লোকের সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বেড়েছে। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

/এমপি/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ