পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার ভোট সোমবার

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৩:৩৫, এপ্রিল ০৩, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৩৫, এপ্রিল ০৩, ২০১৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট গ্রহণ শুরু হচ্ছে সোমবার। সকাল সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হবে। প্রধান লড়াই হবে শাসকদল তৃণমূল, বিজেপি ও বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থীর মধ্যে।
পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহলে ১৮টি আসনে প্রথম দফার প্রথম পর্বের ভোট গ্রহণ হবে। মাওবাদী অধ্যুষিত পুরুলিয়া (৯), পশ্চিম মেদিনীপুর (৬) ও বাঁকুড়া (৩) জেলার ১৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হবে সকাল ৭টায়। কোনও রকম বিরতি ছাড়াই চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এই পর্বে মোট ভোটারের সংখ্যা ৪০,০১,৪২৯। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থাকছে ৪৯৪৫টি। এই দফায় ১৩৩ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ১২৬ আসন বিশিষ্ট অসম বিধানসভারও প্রথম দফায় ৬৫ আসনে ভোট নেওয়া হবে।
শনিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হয়। প্রচারণার শেষ দিনে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিজেপি, বাম-কংগ্রেস ও স্বতন্ত্র দলের প্রার্থীরা যে যার মতো করে প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন।
বিজেপির প্রচারণায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দলের সভাপতি অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ নাথ সিং প্রমুখ।

পিছিয়ে ছিলেন না বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থীরাও। জোট প্রার্থীদের হয়ে কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অধীর রঞ্জন চৌধুরী, কংগ্রেস সাংসদ রাজ বব্বর, সিপিআইএম’র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। প্রত্যেকেই দলের হয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন।

তবে সবাইকে টেক্কা দিয়ে প্রচারণায় কিছুটা হলেও এগিয়ে ছিলো তৃণমূল। জঙ্গমহলের ভোটারদের মধ্যে আস্থা অর্জন করতে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে একাধিক জায়গায় প্রচার চালিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া, দফায় দফায় দলের সহ-সভাপতি মুকুল রায়, দলের সেলিব্রিটি সাংসদ দেব, মুনমুন সেন, শতাব্দী রায় প্রত্যেকেই দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারণায় অংশ নেন।

হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ঝাড়গ্রাম কেন্দ্র্রের তৃণমূল প্রার্থী রাজ্যের মন্ত্রী ড. সুকুমার হাঁসদা, নয়াগ্রামের বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী সাবেক সাংসদ পুলিন বিহারী বাস্কে, শালবনী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শ্রীকান্ত মাহাতো, ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রের ঝাড়খন্ড পার্টির (নরেন গোষ্ঠী) প্রার্থী চুনিবালা হাঁসদা, রঘুনাথপুর কেন্দ্রের ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার প্রার্থী গোবর্ধন বাগদি প্রমুখ।

ভোট সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আইনশৃঙ্খলা পারিস্থিতি থেকে শুরু করে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার সবদিকেই নজর রাখছেন তারা। এই তিন জেলা মাওবাদী প্রভাবিত বলে সেখানে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। হেলিকপ্টারের পাশাপাশি ড্রোনেও নজরদারি চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একাজে দুইটি হেলিকপ্টারকে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা দিব্যেন্দু সরকার। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা সেবা প্রদানেরও ব্যবস্থা থাকছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

/এএ/

লাইভ

টপ