behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

ফিলিপাইনের সিনেট শুনানিতে মুখোমুখি বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির দুই হোতা

বিদেশ ডেস্ক১২:৫৩, এপ্রিল ০৫, ২০১৬

সান্তোস দিগুইতো ও কিম অংহ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির  শুনানিতে মঙ্গলবার দুই উল্লেখযোগ্য অভিযুক্ত আরসিবিসি ব্যাংকের সাবেক ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মারিয়া সান্তোস দিগুইতো ও ব্যবসায়ী কিম অং মুখোমুখি হয়েছেন। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে শুরু হওয়া শুনানিতে তারা দুজনই যোগ দেন বলে ফিলিপাইনি সংবাদমাধ্যম ইনকোয়ারারের খবরে বলা হয়েছে।
সিনেট কমিটির প্রথম দুটি শুনানিতে দিগুইতো তার জবানবন্দি দিলেও গত ২৯ মার্চ সিনেটে কিম অং হাজির হওয়ার পর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি। মঙ্গলবারই প্রথমবারের মতো তারা একে অপরের মুখোমুখি হলেন।
এর আগের শুনানিতে দিগুইতো দাবি করেছিলেন, অং-ই তার সঙ্গে অভিযুক্ত চার ব্যাংক ডিপোজিটরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। সে চারজন বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ লেনদেন করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দিগুইতো আরও বলেছিলেন, অং আরসিবিসি ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও সিইও লরেঞ্জো তানের বন্ধু।
আর সর্বশেষ শুনানিতে দিগুইতোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অং। তার দাবি, তিনি কেবল শুহুয়া গাও নামে এক ডিপোজিটরকে সাবেক ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। গাও একজন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী বলে সে সময় উল্লেখ করেন তিনি।
দিগুইতো আর অং এর পাশাপাশি মঙ্গলবারের শুনানিতে সানসিটি গ্রুপ জাংকেট ও গোল্ডম্যান জাংকেট নামে দুই ক্যাসিনো কর্তৃপক্ষকেও শুনানিতে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া আরসিবিসি ব্যাংকের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধি, অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিল, ফিলরেম সার্ভিস কর্পোরেশন, ফিরিপাইন অ্যামিউজমেন্টকে শুনানিতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

কিম অং

সোমবার অং ফিলিপাইনের অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) কাছে আরও ৮ লাখ ২৮ হাজার ৩৯২ ডলার ফেরত দেন। এর আগেও ওই অর্থের একাংশ ফেরত দিয়েছিলেন চীনা বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী কিম অং।

অর্থ হস্তান্তরের সময় এএমএলসি-র নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া বাকে-আবাদ,ফিলিপাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ ও এএমএলসি-র সদস্য ইমানুয়েল এফ দুক উপস্থিত ছিলেন।

জুলিয়া বাকে-আবাদ জানান, ৫০০ এবং ১০০০ পেসোর (ফিলিপাইনের মুদ্রা) নোটে ওই অর্থ ফেরত দেওয়া হয়। অং-এর আইনজীবী ভিক্টর ফার্নান্দেজ বলেন,‘ওই অর্থ গাও শুহুয়া ইস্টার্ন হাওয়াই এবং মাইডাস ক্যাসিনোতে সরিয়েছিলেন।’ তিনি আরও জানান,গাও যে অর্থ নিয়েছিলেন,আগামী ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অং সেখান থেকে আরও ৪৫০ মিলিয়ন পেসো জমা দেবেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার ফেরত দেন ব্যবসায়ী কিম অং। বৃহস্পতিবার তার আইনজীবী ইনোসেনসো ফেরারের মাধ্যমে তিনি নগদে এই অর্থ এএমএলসি-র কাছে হস্তান্তর করেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম হ্যাকড করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাকাররা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ চুরি করে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) চারটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে। সেখান থেকে ওই অর্থ ফিলিপিনো পেসোতে রূপান্তরের পর দুটি ক্যাসিনোতে পাঠানো হয়। সূত্র: ইনকোয়ারার

/এফইউ/

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune
টপ